২১শে অক্টোবর, ২০২০ ইং , ৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৩রা রবিউল-আউয়াল, ১৪৪২ হিজরী

আল্লামা ফজলুর রহমান বাংলাদেশী এক আলেমের ছাত্র

আল্লামা ফজলুর রহমান বাংলাদেশী এক আলেমের ছাত্র

লাবীব আবদুল্লাহ : দ্যুতিময় সান্নিধ্যে কিছুক্ষণ কেটে গেল শাইখুল হাদীস আল্লামা আব্দুল হাই রাহমানীর সঙ্গে। আমার সহীহ বুখারীর উস্তায শাইখুল হাদীস আল্লামা আব্দুল হাই রাহমানী হাফিজাহুল্লাহর সঙ্গে এক ঘণ্টা স্মৃতিচারণমূলক আলাপের সুযোগ পেলাম৷ পাকিস্তানের জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কায়েদ মাওলানা ফজলুর রহমান হাফিজাহুল্লাহ আমার উস্তাযের কাছে শরহে বেকায়া পড়েছেন তিনি যখন ১৯৭০ সালে পাকিস্তানে উস্তায ছিলেন৷

আলাপে শাইখুল হাদীস আল্লামা আব্দুল হাই পাহাড়পুরী রহ. আল্লামা ফজলুল হক আমিনী রহ-এর স্মৃতিচারণ করলেন৷ এক কামরায় থাকতেন পাকিস্তানে যে মাদরাসায় পড়েছেন৷ আলাপে হযরতের উস্তায আল্লামা শরীফ কান্মিরী রহ. আল্লামা ইদ্রিস কান্দালবী রহ. মুফতী মাহমুদ রহ. আল্লামা শামসুল হক আফগানী রহ. এর কথা বললেন৷

নিজের পড়ালেখা ও শিক্ষকতা নিয়ে স্মৃতি বললেন৷ ১৯৭৬ সাল থেকে তিনি সহীহ বুখারীর দরস দেন৷ আমার উস্তাযের সঙ্গে প্রায় এক দশক জামিয়া আরাবিয়া মাখযানুল উলূম ময়মনসিংহে সহকারী নাযেমে তালীমাত ( সহকারী শিক্ষাসচিব) হিসেবে তালেবে ইলমদের খেদমতের সুযোগ হয়েছিলো আমার৷ উস্তাযে মুহতামের সঙ্গে অনেক দিন পর দেখা এবং সান্নিধ্যে সময় কাটানোর সুযোগ হলো।

হযরত বুখারীর শরাহ লিখেছেন মাআরিফুল হাদীস নামে৷ সহীহ বুখারীর শেষ হাদীসের ব্যাখ্যাগ্রন্থ৷ লিখেছেন আরবী ভাষায়৷৷ “হাত্তা” নিয়ে লিখেছেন নুহুদুল ফাতা হি হাল্লি মুশকিলাতে হাত্তা (আরবী)৷ উর্দুতে কয়েকটি কিতাব লিখেছেন৷ আমার সৌভাগ্য এমন আহলে ইলম ও ইরফানের অধিকারী উস্তাযের কাছে হাদীস পড়ার সুযোগ পেয়েছি৷

১৯৯১ সালে উস্তাযের কাছে সহীহ বুখারী পড়েছি৷ উস্তাযের সঙ্গে এক ঘণ্টার আলাপ রেকর্ড করেছি৷ অনলি মি করে রাখা৷ হয়তো বন্ধুদের জন্য প্রকাশ করবো৷

লেখক : আলেম কলামিস্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Design & Developed BY ThemesBazar.Com