১লা অক্টোবর, ২০২০ ইং , ১৬ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ১৩ই সফর, ১৪৪২ হিজরী

কাদিয়ানীবিরোধী আন্দোলন একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ : আল্লামা মাসঊদ

কাদিয়ানীবিরোধী আন্দোলন একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ : আল্লামা মাসঊদ

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম :: বর্ষীয়ান আলেমেদ্বীন আল্লামা আহমদ শফীর কাদিয়ানবিরোধী আন্দোলন একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ উল্লেখ করে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান, শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম, শাইখুল হাদীস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বলেছেন, কাদিয়ানীরা কাফের। এদের অনুসরণ করলে যে কেউ পথভ্রষ্ট হবে। তাদেরকে চিহ্নিত করা খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে। কাদিয়ানী মতবাদ বড় একটি ফেতনা। একে দমন করা না গেলে, চিহ্নিত করা না গেলে দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ বিভ্রান্ত হতেই থাকবে।

দেশের সব পর্যায়ের আলেম উলামাকে আল্লামা শফীর আহ্বানে শরীক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আল্লামা মাসঊদ বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সভায় দেশের আলেমদের ঐকমত্য থেকে শরীক হতে হবে।

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কিশোরগঞ্জের তাড়াইলের বেলঙ্কা জামিয়াতুল ইসলাহ ময়দান সংশ্লিষ্ট ইসলাহী ইজতেমায় সমবেত পাঁচ শতাধিক উলামায়ে কেরামের বিশেষ মজলিসে মাওলানা সাইয়্যিদ আসআদ মাদানী (রহ.)-এর এই খলীফা এসব কথা বলেন।

ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বলেন, সবচেয়ে বড় ছিল খতমে নবুওয়াতের আন্দোলন। আলেমগণও ছিলেন সজাগ। কী কারণে যে এ আন্দোলন স্থবির হয়ে পড়েছে আমরা জানি না। আল্লামা শফীর নেতৃত্বে এই আন্দোলনকে বেগবান করতে হবে। কাদিয়ানীদের চিহ্নিত করাটা আমাদের ঈমানের দাবি। নবীয়ে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তিকালের পর সবচেয়ে বড় আন্দোলন ছিল এই খতমে নবুওয়াতের। সুতরাং দেশের আলেম উলামাসহ সর্বস্তরের ঈমানদারকে এ আন্দোলনে শরীক হতে হবে।

দেশের কওমী মাদরাসা সরকারি স্বীকৃতি কোন্ পর্যায়ে আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কওমী সনদের স্বীকৃতি একটি ভ্রূণ অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এখনই বড় রেজাল্ট আশা করাটা ভুল। তবে এ থেকে ভালো কিছু বেরিয়ে আসবে বলেই আমি মনে করি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Design & Developed BY ThemesBazar.Com