৩০শে অক্টোবর, ২০২০ ইং , ১৪ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ১২ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪২ হিজরী

কুমিল্লায় কোরআনের ক্ষুদ্র আকারের প্রাচীন কপি

কুমিল্লায় কোরআনের ক্ষুদ্র আকারের প্রাচীন কপি

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ক্ষুদ্র আকারের প্রাচীনতম পবিত্র কোরআনুম মাজিদের কপি পাওয়া গেছে। কুমিল্লায় পবিত্র কোরআন শরিফের অতি ক্ষুদ্র আকারের প্রাচীন কপির সন্ধান পাওয়া গেছে। এটি দেশের অন্যতম প্রাচীন ক্ষুদ্র কোরআন শরিফ বলে দাবি করা হচ্ছে। বংশ পরম্পরায় এটি কুমিল্লা নগরীর তালপুকুরপাড় এলাকার বাসিন্দা জামিল আহমেদ খন্দকারের কাছে সংরক্ষিত আছে।

কোরআন শরিফটির দৈর্ঘ্য দেড় ইঞ্চি, প্রস্থ এক ইঞ্চি ও পুরুত্ব এক ইঞ্চির চার ভাগের এক ভাগ। ছাপার অক্ষরের কোরআন শরিফটি খালি চোখে পড়া কঠিন। এটি আতশি কাচের নিচে রেখে পড়া যায়।

জামিল আহমেদ খন্দকার বলেন, আমার পূর্ব পুরুষরা ইয়েমেন থেকে এই দেশে আসেন। তারা কোরআন শরিফটি সেখান থেকে এনেছেন বলে ধারণা করছি। বংশ পরম্পরায় এটি আমরা সংরক্ষণ করে রেখেছি।

তিনি জানান, তার বয়স যখন ২১ বছর তখন তার বাবা আবদুল মতিন খন্দকার মারা যান। তাই তিনি কোরআন শরিফটি কীভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানতে পারেননি। অনেক দিন এটি কোথায় ছিল তাও তিনি জানতেন না। সম্প্রতি আলমারিতে এটির খোঁজ পান।

ইতিহাস গবেষক আহসানুল কবির বলেন, কোরআন শরিফটি ৩০০ বছরের আগের হতে পারে। এটি দেশের অন্যতম ক্ষুদ্র প্রাচীন কোরআন শরিফ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইসলামের ইতিহাস গবেষক সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে ক্ষুদ্র আকারের কোরআন শরিফ ছাপা বা লেখা হতো না। এ ধরনের কোরআন শরিফ বিভিন্ন ইসলামিক দেশ থেকে আনা হয়। তবে সেকালের জন্য এটি ক্ষুদ্র আকারের হলেও মুদ্রণশিল্পের উন্নয়নের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমানে এর চেয়ে আরও ছোট আকারের কোরআন শরিফ পাওয়া যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Design & Developed BY ThemesBazar.Com