১৪ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ৩রা জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রাজধানীবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক ● রাজধানীবাসী এখন চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন। আবাসিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন বাণিজ্যিক মিশ্র এলাকা রাজধানীতে যে পরিমান শব্দ থাকার কথা তার চেয়ে দ্বিগুণমাত্রা টপকে এখন শব্দ দূষণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩১ ডেসিবেল। রাজধানীর সড়কগুলো যেন শব্দের কারখানা। সিগনালে বসেই  কান ফাটানো হর্ন। তবে চালকরা এই হর্ন প্রয়োজনে ব্যবহার করলেও বেশির ভাগ সময় অকারণেই বাজিয়ে থাকেন। যার কারণ চালক নিজেরাই জানে না। এ নিয়ে কথা হয় কিছু চালকের সাথে। কথা বলে জানা যায়, টিটি হর্নের শব্দ কম। হাইড্রলিক খুলে ফেলার কারণে তাছাড়া কিছু কিছু লোকাল বাসের চালক যাত্রীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেও হর্নের ব্যবহার করে থাকেন।

বে  সিগনাল ছাড়ার পরও সেই একই কান ফাটানো হর্ন কেন বাজিয়ে থাকেন সে উওর দিতে পারেনি কেউ। একদিকে আইন বলছে নিরব এলাকায় হর্ন বাজানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। রাজধানীতে হর্নমাত্রা মাপতে সাউন্ড মিটার ব্যবহার করলে দেখা যায়  ফার্মগেট, মহাখালী, বিজয় সরণীতে এর সর্বোচ্চ। যেখানে দিনের বেলায় শব্দের মাত্রা সর্বনিম্ন পাওয়া যায় ৮২ ডেসিবেল ও সর্বোচ্চ ১৩৭ ডেসিবেল অথচ এই মাত্রা থাকার কথা ছিল ৫৫ ডেসিবেল।

শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রন আইন ৭০টি এলাকা নিয়ে পর্যালোচনা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালায়। পরিবেশ অধিদপ্তরে সেই ভয়ংকর চিত্রে দেখা যায় আবাসিক এলাকার শব্দের তাপমাত্রা ৯০ ডিসেবেলের উপর আর সর্বোচ্চ  ১৩০ ডেসিবেল। পরিবেশ অদিধপ্তর ও শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ এর পরিচালক ফরিদ আহম্মেদ জানান, বিআরটিএর  ভাসমান আাদালতেন শাস্তি বিধান থাকলেও সে আইন প্রয়োগ না হওয়ার কারণে এই সমস্যাটি থেকেই যাচ্ছে। আইন দুর্বল ও প্রয়োগ না থাকায় দিনদিন বেড়েই চলছে এ সমস্যা। তাই এই সমস্যা নিরসনে শব্দদূষণ বন্ধে জনসচেতনতা বিকল্প নেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন শব্দের মাত্রা বেড়ে যদি ৬৫ ডেসিবেল হয় তবে সেখানে স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকে। আর কোন কারণে তা বেড়ে ৯০ ডেসিবেল হয় সেখানে একজন কর্ম নিয়োজিত ব্যক্তি  আট ঘণ্টার বেশি সময় অবস্থান করতে পারবে না।

শেয়ার করুন


সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ১৯৮৬ - ২০২১ মাসিক পাথেয় (রেজিঃ ডি.এ. ৬৭৫) | patheo24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com