২০শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৬ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ৯ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

নয় বছরে চট্টগ্রাম বন্দর ২৭ ধাপ এগিয়েছে : নৌমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক  ● নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের ধারাবাহিক দুই মেয়াদের ক্ষমতায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে চট্টগ্রাম বন্দর ২৭ ধাপ এগিয়েছে।   শুক্রবার সকালে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে এর সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে নৌ-পরিবহনমন্ত্রী এ কথা জানান। শাজাহান খান বলেন, ২০০৮ সালে চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান ছিলো ৯৮তম। বর্তমানে ২০১৭ সালে তা উন্নীত হয়ে ৭১তম ধাপে উঠে এসেছে। এটি বর্তমান সরকারের বড় সাফল্য বলে আমি মনে করি। চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির হৃদপি- উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এটি দীর্ঘদিন জমাট বেধে ছিলোÑরক্ত সঞ্চালন হচ্ছিলো না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বন্দরের হৃদপি-ে অপারেশন করে তা সচল করেছেন। শুধু চট্টগ্রাম বন্দর নয়, প্রধানমন্ত্রী সর্বক্ষেত্রে প্রমাণ করেছেন রাষ্ট্র পরিচালনায় তিনি দক্ষ। একজন দক্ষ চালকের মত দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে শাহজাহান খান বলেন, নির্বাচনে এসে প্রমাণ করুনÑজনগণ আপনাদের পক্ষে রয়েছে। বিএনপি-জামায়াত পেট্রোল বোমা মেরে ক্ষমতায় আসতে চেয়েছিলো সেই কারণেই কিন্তু জনগণ এখন শেখ হাসিনার পক্ষে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এম এ লতিফ, সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান মেজর জেনারেল সিদ্দিকুর রহমান সরকার, চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি মাহবুবুল আলম। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম খালেদ ইকবাল। আলোচনা পর্বের পর দুপুরে বন্দরের এনসিটি ইয়ার্ডে নতুন কেনা চারটি রাবার টায়ার গ্যান্ট্রি (আরটিজি) ক্রেনসহ ৪৬টি হ্যান্ডলিং যন্ত্রপাতি পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এরআগে সকাল সোয়া ১০টায় মন্ত্রী পতেঙ্গার বিমানবন্দর সড়কের পাশে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

চট্টগ্রাম বন্দরের নিজস্ব অর্থায়নে ১৮শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৬ একর জায়গার ওপর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল নির্মিত হচ্ছে। নির্মিতব্য টার্মিনালটি সাগরের কাছাকাছি হওয়ায় বন্দরের বর্তমান জেটির চেয়ে কম সময়ে জাহাজ ভেড়ানো সম্ভব হবে। আবার এনসিটি ও সিসিটির মতো সাড়ে ৯ মিটার ড্রাফটের জাহাজও বার্থিং করতে পারবে। ২০১৯ সালের মধ্যে এই টার্মিনালের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

শেয়ার করুন


সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ১৯৮৬ - ২০২১ মাসিক পাথেয় (রেজিঃ ডি.এ. ৬৭৫) | patheo24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com