মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৬:৩৯ অপরাহ্ন

পাইলস থেকে মুক্তি পেতে যা করবেন

পাথেয় ডেস্ক : মলাশয়ের নিচের অংশ বা মলদ্বারের শিরাগুলো ফুলে যাওয়াকে পাইলস বলে। পাইলস দু’ধরনের হয়, আভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক। আভ্যন্তরীণ পাইলস পায়ুপথ বা মলদ্বারের অভ্যন্তরে হয়ে থাকে। বাহ্যিক পাইলস পায়ুপথের বাইরের দিকে হয়। এই দু’ধরনের পাইলসের মধ্যে সবচেয়ে কমন হচ্ছে বাহ্যিক পাইলস। জেনে নিন পাইলস হওয়ার কারণ, লক্ষণ ও এর থেকে বাঁচার উপায়। পাইলস হওয়ার পিছনে এই কারণগুলো থাকতে পারে-

১. কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া
২. স্থূলতা
৩. বেশি সময় বসে থাকা
৪. দীর্ঘসময় টয়লেটে বসে থাকা
৫. হেমোরয়েড শিরায় কপাটিকার অনুপস্থিতি ও বার্ধক্য
৬. পুষ্টিকর খাবার খাওয়ায় ঘাটতি
৭. ব্যায়াম না করা
৮. পেটের ভিতরে চাপ বৃদ্ধি
৯. জন্মগত
১০. গর্ভাবস্থায় জরায়ু বড় হতে থাকে। ফলে, কোলনের শিরায় চাপ পড়ে বলে শিরা স্ফীত হয়। যে কারণে পাইলস হয়। প্রথম দিকে ওষুধ ও সাবধানতা মেনে চললে এই রোগ সেরে যায়। তবে, জটিল আকার ধারণ করলে অস্ত্রোপচার করতে হতে পারে।

পাইলস হলে সাধারণত এই লক্ষণগুলো দেখে বোঝা যায়-
১. মলের সাথে রক্ত পড়া পাইলসের প্রধান লক্ষণ। যখনই দেখবেন আপনার মলের সাথে রক্ত পড়ছে তৎক্ষণাৎ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
২. মলদ্বারে ব্যথা হওয়া। ফলে, বসতে অসুবিধা হওয়া।
৩. মলদ্বারের চারপাশে ফুলে যায় ও চুলকানি হয়।
৪. পাইলসে আক্রান্ত হলে মলদ্বারের রক্তনালীতে চাপ বৃদ্ধি পায় বলে মল নির্গমনের সময় ব্যথা হয়।

কিছু পদ্ধতি সঠিকভাবে মেনে চললে এই রোগ প্রতিরোধ হতে পারে-
১. পায়ুপথের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন।
২. হালকা গরম পানিতে দিনে কয়েকবার পায়ুপথ ভিজিয়ে নিন।
৩. পায়ুপথ ফুলে গেলে সেখানে বরফ দিতে পারেন।
৪. চিকিৎসকের পরামর্শ মতো নিয়মিত মলম ব্যবহার করুন।
৫. প্রদাহ বা সংক্রমণের দ্রুত চিকিৎসা নিন।
৬. প্রতিদিন প্রচুর আঁশযুক্ত সবজি, ফলমূল ও খাবার গ্রহণ করবেন। মাংস, কম আঁশ ও বেশি চর্বিযুক্ত খাবার, কড়া মশলা, ফাস্টফুড ইত্যাদি পরিহার করুন।
৭. বেশি করে পানি পান করুন।
৮. কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসা করুন, মলত্যাগে কখনো বেশি চাপ প্রয়োগ করবেন না, আটকে রাখবেন না।
৯. ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন।
১০. নিয়মিত ব্যায়ামের ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য কমে। তাই শরীরচর্চা করুন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Design & Developed BY ThemesBazar.Com