সোমবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৯, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন

প্রশ্নফাঁস ঠেকানো প্রশংসার তবে একই ব্যক্তি বহু দায়িত্বে থাকা হাস্যকর : সাইফী

প্রশ্নফাঁস ঠেকানো প্রশংসার তবে একই ব্যক্তি বহু দায়িত্বে থাকা হাস্যকর : সাইফী

সম্মিলিত কওমি মাদরাসা সরকারি বোর্ড ‘আল হাইআতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’-এর অধীনে চলমান দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দু’বার ফাঁস এবং বর্তমানে প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরীক্ষার পূর্বে প্রশ্নপত্র পাঠানো ও হাইআতুল উলয়া বোর্ড কর্তৃপক্ষের নানা বিষয় আলোচনার পাশাপাশি কওমি মাদরাসার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলতে পাথেয় টোয়েন্টিফোরের মুখোমুখি হয়েছিলেন মাওলানা দেলওয়ার হুসাইন সাইফী। মাওলানা সাইফী বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা ঢাকা মহানগরীর সভাপতি ও রাজধানীর মহাখালী আই.পি.এস জামে মসজিদের খতীব। আন্তর্জাতিক মুফাসসীরে কুরআন। একজন রাষ্ট্রচিন্তাবিদও। দেশ-বিদেশের ইসলামিক স্কলারদের সঙ্গেও রয়েছে তার সখ্যতা। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম—এর সহযোগী সম্পাদক মাসউদুল কাদির।  নিচে তার সাক্ষাৎকারের বিস্তারিত তুলে ধরা হলো-

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন আপনি?

মাওলানা দেলওয়ার হুসাইন সাইফী : ওয়ালাইকুমুস সালাম। আমি ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ। আপনি কেমন আছেন?

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম :  আলহামদুলিল্লাহ আমিও ভাল আছি। আমরা আপনার কাছে জানতে চাচ্ছি এবারের হাইআতুল উলিয়ার পরীক্ষায় (দাওরায়ে হাদীস) বারবার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে হাইআতুল উলিয়ার কর্তৃপক্ষ এখন প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরীক্ষার পূর্বে প্রশ্নপত্র বিতরণ করছে। অর্থাৎ পরীক্ষার কিছুক্ষণ পূর্বে হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্নপত্র পাঠানো হচ্ছে। এই পদ্ধতিটাকে আপনি কী ভাবে দেখছেন?

মাওলানা দেলওয়ার হুসাইন সাইফী :  অবশ্যই এখন যে পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র পাঠানো হচ্ছে- সকাল ৮/৮:৩০ এর মধ্যে অনলাইনের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র কেন্দ্রে পৌঁছানো হয়। এতে আমার বন্ধু মহলসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। সবাই এই পদ্ধতিতে খুশি। আপাতদৃষ্টিতে হাইআতুল উলিয়ার কর্তৃপক্ষ প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে সফল হয়েছেন। আমিও এতে খুশি।

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : আপনি কি মনে করেন শুধু প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রশ্ন তৈরী এবং বিতরণ করে একটা পরীক্ষা পদ্ধতি সঠিকভাবে পরিচালনা করা যায়?

মাওলানা দেলওয়ার হুসাইন সাইফী : আসলে মূলত আমি মনে করি যতই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হোক খোদাভীরুতা, দায়িত্বের প্রতি সচেতনতা কিংবা গুনাহের ভয় যদি অন্তরে না থাকে, তাহলে শত উন্নতি প্রযুক্তি দিয়েও প্রশ্নফাঁস বা পরীক্ষা নিয়ে অনৈতিক যে কোন কর্মকাণ্ড ঠেকানো বড়ই কঠিন।

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : আমরা শুনে থাকি হাইআতুল উলিয়ার  লোকবল কম, যার কারণে তাদের কাজের ক্ষেত্রে অনেকটা ঘাটতি রয়ে যাচ্ছে এবং এত বড় একটা বোর্ডে কর্ম পরিচালনার সামর্থ্য রাখে না। এ ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কী?

মাওলানা দেলওয়ার হুসাইন সাইফী : আমাদের স্বাভাবিক নলেজে যেটা আসে, যে কোন বড় কাজ করার আগে আমাদের প্রস্তুতি নিতে হয়। যে মানের কাজ আমরা করব সে মানের প্রস্তুতি আমাদের প্রয়োজন, কিন্তু হাইআতুল উলিয়া কেন সেই প্রস্তুতি নিল না?  কেন তারা লোকবল না নিয়েই এতবড় কাজে নেমে পড়ল,  এতদিনেও জনবল তারা তৈরী করলেন না কেন? তা আমার বুঝে আসে না।

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : এখানে তো অর্থ সংকটেরও ব্যাপার থাকে! আপনি এটাকে কীভাবে দেখছেন?

মাওলানা দেলওয়ার হুসাইন সাইফী : আমি মনে করি না অর্থ সংকটটা বড় ব্যাপার। আপনি খোঁজ নিলে দেখবেন মাদরাসাসমূহের অঢেল সম্পত্তি রয়েছে। আলেমদের অনেকেই এখন গাড়ি বাড়ির মালিক, তাহলে তাদের আর্থিক সংকট বড় হওয়ার তো কোন যুক্তি নেই। নিজেদের প্রতিষ্ঠান, বাড়ি-ঘর যদি তারা অর্থ ব্যয় করতে পারে, তাহলে এত বড় বোর্ডে কেন নয়?  মূলত এখানে দ্বীনের প্রতি দায়বোধ, আগ্রহ ও আন্তরিকতার যথেষ্ট অভাব রয়েছে। অযোগ্যতা, অদক্ষতা আর পাশাপাশি ষড়যন্ত্রও এর পেছনে আছে।

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ষড়যন্ত্র বলতে আপনি কী বুঝাচ্ছেন? আপনি কি মনে করেন ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করা হোক? এরা কি সরকারবিরোধী,  জামায়াতের কেউ কিংবা কওমি বিদ্বেষি কওমিতে ঘাঁপটি মেরে থাকা কেউ কি জড়িত?

মাওলানা দেলওয়ার হুসাইন সাইফী : অবশ্যই ষড়যন্ত্র আছে। এই যে প্রশ্নফাঁসের পর কিছু লোককে দেখলাম স্বীকৃতি বাতিলের স্লোগান তুলতে। আমার তো ষড়যন্ত্রের বিশ্বাসটাই দৃঢ় হচ্ছে।  এরা কারা, যারা স্বীকৃতি বাতিলের দাবি করছে?  এটা খোঁজে বের করতে হবে। এখানে সরকারবিরোধীরা তো আছেই, সাথে জামায়াতে ইসলামীর সাথে সংশ্লিষ্টরা এর পেছনে কলকাটি নাড়ছে যেন স্বীকৃতিকেই প্রশ্নবৃদ্ধ করা যায়। কওমির ভেতর ঘাঁপটি মেরে আছে কওমি বিদ্বেষী একটা গ্রুপ,  তাদেরকে চিহ্নিত করা হোক। তাদেরকে বের করতে পারলে ষড়যন্ত্র কারা করছে তা বের হবে।

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : গত জোট সরকারের আমলে যে শ্রেণিটা স্বীকৃতিতে বাঁধা প্রদান করছিল, তা বাস্তবায়ন হতে দেয়নি তারা কি এখনো তৎপর বলে মনে করছেন?

মাওলানা দেলওয়ার হুসাইন সাইফী : হ্যাঁ, তারা তো আছেই, নতুন আরও কিছু তাদের সাথে আছে এমনও হতে পারে। তবে আমার মনে হয় এটা কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে সুদূর প্রসারী একটা ষড়যন্ত্র।

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : একটা বিষয়, এখন নানা দিক থেকে প্রশ্নফাঁস হয়, কিন্তু দারুল উলূম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠার পর থেকে তারা নৈতিকতার শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছিল এবং নৈতিক শিক্ষার জন্য তাদের সুনাম আছে, তাদের নৈতিক অবক্ষয়ের তো কোন সুযোগ ছিল না। কিন্তু এখন তো দেওবন্দী আলেম দাবি করা আলেমরাই প্রশ্নফাঁস,  নারী নির্যাতন, শিশু নির্যাতন, হত্যার সাথে জড়িত হচ্ছে। এটাকে আপনি কোন দৃষ্টিতে দেখছেন? এসব কি আপনি বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে এড়িয়ে যাবেন?

মাওলানা দেলওয়ার হুসাইন সাইফী : না, এড়িয়ে যাব না। তবে আমার মনে হয় এগুলো সবগুলো একই সূত্রে গাঁথা। আলেম কতৃক প্রশ্নফাঁস, নারী নির্যাতন, বলাৎকারসহ নানা ঘটনায় একটা চক্র কাজ করছে। জামাত-শিবির আহলে হাদীস, বেদআতি, কওমি মাদরাসাবিরোধী একটা চক্র দীর্ঘদিন ধরে সুযোগ খুঁজছিল। এরাই এর পেছনে কাজ করছে কিনা খতিয়ে দেখা দরকার। এই যে তাবলীগের এতায়াতী-ওয়াজাহাতী, হেফাজতী বিরোধ—এর পেছনে এই একই চক্র কাজ করছে। এদের দু গ্রুপেই জামাতীচক্র কাজ করছে।

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : হেফাজতী এখন কী ওজাহাতীদের ভূমিকায় আছে?

মাওলানা দেলওয়ার হুসাইন সাইফী : জ্বী! আমার তাই মনে হয়। আর হেফাজতী একটি চক্রের ইশারাতে এসব কাজকর্ম করছে। এই যে তাদের প্রোগ্রামের তাদের মঞ্চে জামাতী, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ সবাইকে উঠতে দিলো, অথচ চরমোনাই পীর মুফতি ফয়জুল করীম সাহেবকে উঠতে দিলো না এবং আমাকেও উঠতে দিলো না, এই সব কিছুই এই একটি চক্রের ইশারাতে হয়েছে।

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : চরমোনাই পীর মুফতি ফয়জুল করিম সাহেবকে উঠতে দেয়া হয়নি— এটাতেও কি আপনার আপত্তি আছে?

মাওলানা দেলওয়ার হুসাইন সাইফী : জ্বী, আছে অবশ্যই। হেফাজতীদের এই আচরণ মোটেও ঠিক হয়নি।

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : এটাতো তাদের সংগঠনের ব্যাপার মুফতি ফয়জুল করিম তো হেফাজতের কেউ না?

মাওলানা দেলওয়ার হুসাইন সাইফী : তাহলে কি জামাতের নেতা, বিএনপির নেতা, জাতীয়পার্টির নেতা, যারা স্টেজে উঠেছিল তারা সবাই কি হেফাজতের নেতা? জামাত শিবিরের ছেলে মেয়েরা যে রাস্তায় রাস্তায় পানি খাওয়ালো, তরমুজ কেটে খাওয়ালো এরা হেফাজতের কে?

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : এটা তো যে কোন মুসলমান করতে পারে, জামাত-শিবিরের লোকজন কিছু মুসলমানকে খাইয়েছে তো?

মাওলানা দেলওয়ার হুসাইন সাইফী : তাহলে কই, তাদেরকে আগে কখনো কওমি  আলেমদের অন্যান্য সমস্যার সময় এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি বরং তারা তো সুযোগ পেলেই কওমি আলেমদের বিরোধিতা করেছে! হেফাজতের সময় কেন তারা এত দরদ দেখাল? এখানে অবশ্য তাদের নিজেদের স্বার্থ আছে বলেই তারা এমনটা করেছে।

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : তাহলে আপনার দাবি বিশেষ কারণেই  সেখানে তারা সহযোগিতা করেছিল? 

মাওলানা দেলওয়ার হুসাইন সাইফী : অবশ্যই। তারা নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতেই এসব করেছে।

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : আপনি কী মনে করেন, সেই তারাই এখন আবার কওমি আলেমদের কালিমা লেপনের চেষ্টা করছেন?

মাওলানা দেলওয়ার হুসাইন সাইফী : হ্যাঁ, সেটাই মনে করি। তারা আলেমদের সাদা কাপড়ে দাগ লাগাতে চেষ্টা চালিয়ে আসছে। দুধের মধ্যে নাপাক ফেলার কাজটাই করছে সেই একই চক্র।

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : কেউ কেউ মনে করছে, এটা বোর্ড কর্মকর্তাদের অদক্ষতা, অযোগ্যতা এবং অনভিজ্ঞতার চরম বহিঃপ্রকাশ, আপনি কী একমত? একমত হলে এর প্রতিকার কী?

মাওলানা দেলওয়ার হুসাইন সাইফী : অবশ্যই, আমি একমত এ কথার সাথে। অদক্ষ, অযোগ্যদের সরিয়ে দেয়া হোক। পরিকল্পনা নেয়া হোক কীভাবে নিখুঁতভাবে কাজ করা যায়। অদক্ষদের দক্ষতা বৃদ্ধির পদক্ষেপ নিতে হবে। আর আন্তরিকতা নেই এমন লোকদের সরাতে হবে, কারণ আন্তরিকতা না থাকলে কখনো কোন কাজে সফল  হওয়া যাবে না।

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা আসছে কার্যক্ষমতা সম্পন্ন যোগ্য ব্যক্তিদের দায়িত্বে আনার কথা উঠেছে। অনেকেই একই ব্যক্তি রাজনীতিবিদ, মাদরাসার শিক্ষক, তিনিই পরীক্ষক, নেগরান আবার বোর্ড কর্তাও। একটা পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কি এমন লোকদের দিয়ে পরিচালনা করা সম্ভব?  আপনি কী মনে করেন?

মাওলানা দেলওয়ার হুসাইন সাইফী : হ্যাঁ, কার্যক্ষম লোকদের দায়িত্বে আনা উচিৎ। আবার তার অর্থ এই নয় যে, আমানকে সরিয়ে কামানকে আনবে। একই ব্যক্তি মাদরাসার শিক্ষক, একাধারে তিনি পরীক্ষক, বোর্ড কর্মকর্তা এটা হাস্যকর। এটাতো শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেয়ার মতো। এটাতো গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী।

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : তাহলে আপনি বলছেন শিক্ষক, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বা বোর্ড কর্তা হবে না?

মাওলানা দেলওয়ার হুসাইন সাইফী : জ্বী! একজন শিক্ষক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বা বোর্ড কর্তা হলেতো এখানে স্বজনপ্রীতির সুযোগ থেকে যায়, স্বজন প্রতিষ্ঠার একটা গন্ধও এখানে পাওয়া যায়। আর এটা থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন শিক্ষা বোর্ডের।

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : প্রশ্নফাঁস নিয়ে আমাদের যে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, প্রযুক্তির ব্যবহার করে তা কি যথেষ্ট. নাকি এনালগ কোন পদ্ধতির প্রয়োজন আছে?

মাওলানা দেলওয়ার হুসাইন সাইফী : আসলে আমাদের বেশ ক’জন অভিজ্ঞ আলেমদের নিয়ে একটা বৈঠক হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু কোন কারণে সেটা আর হয়ে উঠেনি। তবে কতৃপক্ষের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, ছয়টা বোর্ড এক্ষেত্র হয়ে বোর্ডের মুরব্বিদের সমন্বয়ে, বোর্ড বাইরেরও অনেকে আমাদের ভালোবাসে এমন অভিজ্ঞ আলেম, চিন্তাশীল শিক্ষাবিদ, প্রশাসনিক লোকদের সাথে নিয়ে আমাদের আগামীর পথ পরিক্রমা ঠিক করতে হবে। শত্রুদের থেকে সতর্ক থাকতে হবে। তাদের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে আনাদের অবগত হতে হবে। ঘটিত প্রশ্নফাঁসসহ নানা অনিয়মকে চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং সম্ভাব্য সব অনৈতিক কার্যের পথ বন্ধ করার ব্যবস্থা নিতে হবে।

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : পাথেয় টোয়েন্টিফোরকে সময় দেয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, জাযাকাল্লাহ।

মাওলানা দেলওয়ার হুসাইন সাইফী : আপনাকেও ধন্যবাদ।

শ্রুতি লিখন : জাওয়াদ করিম

নিউজটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Design & Developed BY ThemesBazar.Com