২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং , ১৬ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ৪ঠা রজব, ১৪৪১ হিজরী

সংবাদ শিরোনাম :
হাতের কাছেই রয়েছে ম্যাজিক সমাধান! এ বার চুল পড়বে কম, পালাবে খুশকিও! মহারাষ্ট্রে বাংলাদেশি-পাকিস্তানি সম্পর্কে তথ্য দিলে ৫০০০ রুপি পুরস্কার ঘোষণা এমএনএস’র ‌‘জানলামও না মানুষটা কেমন’; হাহাকার দিল্লির হিংসায় স্বামীহারা নববধূ তসলিনের লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসেই দরপতন শেয়ারবাজারে করোনাভাইরাসে মুকেশ আম্বানির ক্ষতিই ৫৯০ কোটি ডলার! সন্ত্রাসে অর্থায়ন : কলকাতায় বাংলাদেশিসহ দুইজন দোষী সাব্যস্ত করোনায় প্রথম বৃটিশ নাগরিকের মৃত্যু মুজিববর্ষে তরুণরা চাকরি খুঁজবে না; দেবে : পলক দাম কমলেও কেজি এখনো ১০০ টাকা পাপিয়ার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাড়ি ফেরার পথে হাজি সাহেবগণ

বাড়ি ফেরার পথে হাজি সাহেবগণ

মাওলানা আমিনুল ইসলাম : অনেক বড় সফর।দীর্ঘ চল্লিশ থেকে পয়তাল্লিশ দিন। এই লম্বা সফরে নিজের বাড়ি ঘর, স্ত্রী,সন্তান- সন্ততি ত্যাগ করে এক আল্লাহকে পাওয়ার আশায় মক্কা- মদিনায় অবস্হান করেছেন তারা। একটা ভিন্ন পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিয়ে মহান আল্লাহর হুকুমের তাবেদারী করেছেন সবাই।

হজ্জের সফর কিন্তু কষ্টের সফর। বহু মোজাহাদা এবং কোরবানী করতে হয়। যেমন মিনা, আরাফা, মুযদালিফায় প্রত্যেক হাজি সাহেবের যাওয়া অতীব জরুরী।

আরাফায় সকল হাজি সাহেবের উপস্হিত হওয়া বাধ্যতামুলক। একদম ফরজ। কেউ আরাফা মিস করলে তার কিন্তু হজ্জ হবেনা। মুযদালিফায় উকুফ করা ওয়াজিব। মিনায় শয়তানকে কংকর নিক্ষেপ ওয়াজিব।

মিনা আরাফা মুযদালিফায় কোন হোটেল নেই। তাঁবুতে অবস্হান করতে হয় সকলকে। এক সঙ্গে লক্ষ লক্ষ লোকের উঠা বসা। সব কিছু মেনে নিতে হয়।

একটানা পাঁচদিন সময় পার হয়ে যায় মিনা আরাফা মুযদালিফায়।

এভাবে মক্কা শরীফের হোটেলে থাকতে হয় অন্য সময় গুলো। এর এক ফাঁকে মদীনায় যেয়ে থাকেন হাজি সাহেবগণ। সেখানে ৮/১০ দিন চলে যায়। যদিও মদিনার সফর হজ্জের কোন অংশ নয়। তবুও পেয়ারা হাবীবের মহব্বতে মদিনায় সফর করেন সকল হাজি সাহেব।

কেউ তো হজ্জের পুর্বে মদিনা ঘুরে আসেন। কেউ যান হজ্জের পরে। মোটকথা হজ্জের সফরে কেউ মদিনা যাওয়া মিস করেন না।

এবছর হজ্জের দিন ছিল ১০ আগষ্ট । ১৩ আগষ্ট হজ্জের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়ে ছিল। শুধু মাত্র বাড়ি ফেরার পুর্বে বিদায়ী তওয়াফ বাকি ছিল। এই বিদায়ী তওয়াফ কিন্তু ওয়াজীব।

হাজিগণের ফ্লাইট আসার কয়েকদিন আগেই বিদায়ী তওয়াফ করে রেডী হচ্ছেন তারা। মাল – সামানা ক্রয় করে, সে গুলো বেঁধে তৈরী হয়েছেন। এরপর নির্ধারিত তারিখ অনুসারে এয়ারপোর্টে রওয়ানা।

১৭ আগষ্ট থেকে হাজিগণ বাড়ি ফেরা শুরু করেছেন। প্রতিদিন অনেক গুলো ফ্লাইট ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিচ্ছে। হাজি সাহেবদের হোটেলের দরজায় বাস এসে খাড়া হচ্ছে। বাসে করে জেদ্দা বিমান বন্দর। সেখান থেকে সরাসরি ঢাকায় পৌছাচ্ছে।

হাজিদের মনে এখন আনন্দের জোয়ার। দীর্ঘদিন সফর করে স্বজনদের সাথে মোলাকাত হবে। সবচেয়ে বড় কথা, এখন সকলেই হজ্জব্রত পালন করেছেন। আর হজ্জব্রত পালন কারীদের জন্য রয়েছে শুভ সংবাদ।

হাদীস শরীফে রয়েছে”: যে আল্লাহর জন্য হজ্জ করল, আর হজ্জে গিয়ে কোন গোনাহের কাজ করল না, সে যেন নিস্পাপ হয়ে বাড়ি ফিরে আসল”।

আল্লাহ তায়ালা সকল কবুল করুন। আমিন।

লেখক : শিক্ষক ও সমাজ বিশ্লেষক

নিউজটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Design & Developed BY ThemesBazar.Com