১৫ই জুলাই, ২০২০ ইং , ৩১শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ২৩শে জিলক্বদ, ১৪৪১ হিজরী

বিচারকের মঞ্চে, মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেবের সঙ্গে

বিচারকের মঞ্চে, মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেবের সঙ্গে

ফয়জুল্লাহ আমান ❑ বিজয় রাকিন সিটি। মিরপুর ১৩-১৪ এর মাঝামাঝি এক অত্যাধুনিক আবাসন প্রকল্প। মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য পঞ্চাশ বিঘার উপর জমিতে ৩৬ টি বিরাট বিরাট প্লট। একেকটি বিল্ডিং ১৫ তলা। খেলার মাঠ, সুইমিং পুল, ইস্কুল, ক্লাব, হাস্পাতাল ও অন্যান্য অনেক সুবিধাসহ খুব সুন্দর এক এরিয়া। চার হাজার পরিবারের বসবাসের ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। ছয় তলা বিশিষ্ট খুব সুন্দর একটি মসজিদও নির্মাণ হচ্ছে এখানে। কিছু কাজ এখনও বাকি থাকলেও নামাজ শুরু হয়েছে সে মসজিদে। করোনা ভাইরাস শুরু হওয়ার আগে আমার এক ছাত্র আমাকে বলল, সেখানে ইমাম খতিব নেওয়া হবে। হুজুর আপনি খতীব পদে দরখাস্ত করতে পারেন। আমার ছাত্রটি ইমাম পদে দরখাস্ত করেছে।

বেশি বেতনের আশায় পুরোনো মসজিদ ছেড়ে দিতে আমার কখনও মন করে না। টাকার প্রতি মোহ সবারই থাকে। তবু আকাবিরদের সংস্পর্শ থেকে শিখেছি অল্প টাকায়ও বরকত হয় যদি নির্মোহ থাকা যায়। তাই সব সময় বরকতের সন্ধান করে এসেছি। শরয়ি কারণ ছাড়া মসজিদ বদলানো মোটেও ভালো মনে হয় না আমার কাছে। যে মসজিদে আছি সেখানে দীর্ঘ দিন ধরে একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছে। যে তৃপ্তি সেখানে তা নতুন কোথাও গিয়ে তৈরি করতে সময় লেগে যাবে বৈ কি। কাজের স্বাভাবিকত্ব আসতে বেশ অপেক্ষা করতে হবে। ছোট্ট এই জীবন যদি এভাবে বদলাবদলি করে সময় নষ্ট করি তাহলে গঠনমূলক কাজ আমার দ্বারা হবে কী করে?

পরীক্ষার্থী থেকে পরীক্ষক হলাম। এমন ঘটনা আর কোনো খতিবের জীবনে ঘটেছে কি না সন্দেহ। তাই রাকিন সিটিতে উপস্থিত হতে মনস্থ করলাম।

তবু একপ্রকার জোর করেই আমার সিভি নিয়ে গেল ছাত্রটা। এরপর কয়েকদিন আগে রাকিন সিটি থেকে একজন ফোন দিয়ে বলল, দুদিন পর ইন্টারভিউ। বেলা এগারটার আগে উপস্থিত থাকতে হবে। আমি বলে দিলাম, আসতে পারব না, আমার মসজিদ আছে। কাটাকাটা কথা শুনে ফোনদাতা অবাক হয়ে গেল। বলল, হুজুর আমরা জানি আপনি এক মসজিদের খতিব, আপনার সিভি এখানে জমা পড়েছে এজন্য কমিটি থেকে আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আপনাকে জানিয়ে দিতে।

যাওয়া ইচ্ছা ছিল না। কোনো ভাবেই মন প্রস্তুত করতে পারলাম না সেখানে যাবার জন্য। আল্লাহর কি লীলা। পর দিন রাকিন সিটির জেনারেল সেক্রেটারি আমাকে ফোন দিয়ে বললেন, আপনাকে বিচারক প্যানেলে রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মেহেরবানি করে আমাদের এখানে বিচারক হিসেবে উপস্থিত হবেন। সময় মত গাড়ি পৌঁছে যাবে।

দেখলাম, এটা একটা ঐতিহাসিক ব্যাপার। পরীক্ষার্থী থেকে পরীক্ষক হলাম। এমন ঘটনা আর কোনো খতিবের জীবনে ঘটেছে কি না সন্দেহ। তাই রাকিন সিটিতে উপস্থিত হতে মনস্থ করলাম। যথা সময়ে সেক্রেটারি সাহেব গাড়ি পাঠিয়ে দিলেন। আর কে কে সেখানে থাকবেন তা আমার জানা ছিল না। গিয়েই শুনি মাওলানা মানসুরুল হক সাহেব এসেছেন। একটু পর শুনি তিনি অসুস্থতার কারণে আসতে পারেননি। বিচারকদের বসার স্থানে প্রবেশ করেই দেখা হয় আমার অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় উস্তাদ জামেয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়ার মুহতামিম মাওলানা মুফতী মাহমুদুল হাসান সাহেবের সাথে। একটু পর আমার আরেক জন উস্তাদ মাওলানা ইয়াহইয়া জাহাঙ্গির সাহেবও উপস্থিত হলেন। সাথে মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব। ঢাকা ইউনিভার্সিটির প্রফেসর মাওলানা হুসাইনুল বান্না সাহেবও আছেন বিচারক প্যানেলে। বুঝতে পারলাম বিভিন্ন ধরনের মানুষ আছে এই রাকিন সিটিতে। হয়ত সবাইকে খুশি রাখতে বিভিন্ন ধরনের আলেমদের জমা করা হয়েছে। তবু সামান্য ইমাম নির্বাচনের জন্য হলেও এসব আলেম যে এক জায়গায় একত্র হয়েছেন তা কম নয়।

এর আগে একবার মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেবের সাথে মিরপুর জামেউল উলুম মাদরাসায় দেখা হয়েছিল গত রজব মাসে। মাওলানা আব্দুল্লাহ মারুফি সাহেবের সফরসঙ্গি হিসেবে ছিলাম। মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব আমার দিকে তাকিয়েই উঠে চলে গিয়েছিলেন। আমার ছাত্র বয়স থেকেই তিনি আমাকে জানতেন। দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে আসার আগে আমার উস্তাদদের কাছে বলে রেখেছিলেন, আমাকে তাঁর প্রতিষ্ঠানে রাখবেন। কিন্তু সে হয়ে উঠেনি। তারপর তাবলিগের দ্বন্দ্ব শুরু হবার পর আমার মত ক্ষুদ্র মানুষের সাথে তার বিরোধ বাধানোর চেষ্টা করেছে কিছু লোক। আমি সব সময় মনে করি, একজন আলেম যত বড় ভুলই করুন তাকে শোধরানোর জন্য সুন্দর ভাষা ব্যবহার করা উচিত। দ্বিতীয় হচ্ছে প্রত্যেকের উচিত সীমার ভেতর থাকা।

অনেক কথা অনেক সময় আমার কাছে জানতে চেয়েছেন ঘনিষ্ঠ জনরা। সব কথা এখনও বলার সময় হয়নি। কথা বলে খুব একটা লাভও নেই। প্রত্যেকে যার যার কাজ করে যাওয়া উচিত একমনে। তবে আজকে কিছু কথা বলব। আমি মন থেকে কোনো আলেমকে নয় শুধু; কোনো মুসলিমকেই অশ্রদ্ধা করতে পারি না। আমার দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে, তার ভুলকে ঘৃণা করব; তাকে নয়। তাকে ভালোবাসা দিয়ে শোধরানোর চেষ্টা করব। ইসলাম আমাদের এ শিক্ষাই দেয়।

আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ সাহেব নাকি দ্বীনের ভেতর তাহরিফ করছেন। জিহাদকে অস্বীকার করছেন। অথচ আমরা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বলেছি, জিহাদের বিরুদ্ধে নয়, জিহাদের পক্ষে কাজ করেছি।

প্রথম ইস্যু তৈরি হয় শাহবাগ গণজাগরণ মঞ্চের বিষয় নিয়ে। সেখানে আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ গিয়েছিলেন। সাথে আমরা ছিলাম। আল কাউসারে তখন থেকে আমাদের বিরুদ্ধে লেখা হতে থাকে। আক্রমণ করা হতে থাকে স্থূলভাবেই। এরপর জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে এক লাখ আলেমের স্বাক্ষর নেওয়ার সময় সবার সামনে সমালোচনা করতে থাকেন মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব। বিভিন্ন মন্তব্য করতে থাকেন। আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ সাহেব নাকি দ্বীনের ভেতর তাহরিফ করছেন। জিহাদকে অস্বীকার করছেন। অথচ আমরা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বলেছি, জিহাদের বিরুদ্ধে নয়, জিহাদের পক্ষে কাজ করেছি। কিন্তু তিনি বললেন, আমরা জিহাদ অস্বীকার করছি। এমন কড়া কড়া কথা বলেই যাচ্ছিলেন। আমরা চুপ ছিলাম। এধরনের সমালোচনা যখন বেড়েই চলেছিল তখনই ঘটল তাবলিগ বিভাজনের ঘটনা। এসময় আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ একদিন, মাত্র একদিন বললেন, ও তো একটা বেয়াদব। সরাসরি বেয়াদব বলেননি। কথার কথা বলেছেন, সে তার উস্তাদকেই মানে না। উস্তাদের কথাই যে মানে না সে তো একটা বেয়াদব।

আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ সাহেব মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেবের পিতৃতুল্য ও উস্তাদতুল্য মুরুব্বি আলেম। সে হিসেবে এমন একটি কথা বলার হক তার আছে। তবু তিনি অনেক সবরের পর বলেছেন। পবিত্র কোরানে এর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। মাজলুম তার জুলুমের উত্তর দিতে পারে। অবশ্য অতিরঞ্জন করা উচিত নয়। আর আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ সাহেব বললেই যে অন্য কেউ বলতে পারবে তাও ঠিক নয়। আমাদের ছাত্রদের একথা সবসময় আমরা বোঝানোর চেষ্টা করি।

এরপর খুব ভালো হতো মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব ক্ষান্ত হলে। কিন্তু তিনি ক্ষান্ত হননি। মাওলানা আবুল ফাতাহ সাহেবের স্মারকে অপ্রাসংগিকভাবে আবার বেফাস কথা বলে ফেলেছেন। আমাদের পক্ষ থেকে এর কঠোর ভাষায় প্রতিবাদ করা হয়। লেখাটি ছেপেছিল আবু সাফওয়ান নামের কোনো ব্যক্তির পরিচয়ে। ঘটনাক্রমে আমার বড় ছেলের নাম সাফওয়ান। সেই হিসেবে আমাকে সন্দেহ করেন অনেকে। অথচ পৃথিবীর সব সাফওয়ানের বাবা আমি নই। আমি লিখে থাকলেও আমার নাম যেহেতু দেইনি তাই আমার ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া হবে ভারি অন্যায়। লেখার বিষয়বস্তুর ব্যাপারে বলব, উপস্থিত উত্তেজনার কারণে ধারালো ভাষা হলেও মূল বিষয়টি ছিল খুব সুন্দর এবং যৌক্তিক। একটি মৌলিক বিষয়ে আবু সাফওয়ান কথা বলেছেন।

যাই হোক, আজ বহু দিন পর মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেবের সাথে সাক্ষাত হওয়ায় ভাবছিলাম, উনি সহজভাবে নিতে পারেন কি না। কিন্তু দেখলাম, খুব হাসিমুখে কথা বললেন। আচরণ ছিল খুব সুন্দর অমায়িক। আমাকে খুব সম্মান দিয়ে কথা বললেন। নিজে কম প্রশ্ন করে বারবার আমাকে প্রশ্ন করতে বললেন খতীবের ইন্টারভিউ দিতে আসা আলেমদেরকে। ইন্টারভিউ শুরু হবার আগে বিভিন্ন বিষয়ে মতানৈক্য হলো বিচারকদের মাঝে। উনার অভিমত আমরা আদবের সাথে খন্ড করলে সহজে মেনে নিলেন প্রায় প্রতিটি বিষয়। প্রায় চারঘণ্টা একসাথে ছিলাম আমরা। এই পুরো সময় ইলমি একটা পরিবেশ ছিল। দুপুরে একসাথে খেলাম। খতীব ও ইমামের ইন্টারভিউ শেষ হলে উনি চলে গেলেন। খতীব ইমাম মুআযযিন ও খাদেম সব আমাদেরই নির্বাচন করে দিতে হবে। এরপর তাদের বেতন ভাতাও আমাদের ঠিক করতে হলো।

চমকের কথাটা বলিনি। সব বিচারকের হাতে একটি করে নামের তালিকা। সেখানে তিন নম্বরে আমার নাম। সবাই দেখে বিস্মিত হচ্ছেন। আমি জলদি করে নামটি মুছে দিতে বললাম সেক্রেটারি সাহেবকে। হয়ত তারা অবাক হচ্ছিলেন আমার নাম প্রার্থি হিসেবে থাকা সত্ত্বেও কি করে বিচারক প্যানেলে আছি? অবশ্য কেউ প্রশ্ন করে বিব্রত করেননি। আরেক চমক ছিল শেষে। সবার নম্বর পত্রে নম্বর দেওয়া শেষ। আব্দুল মালেক সাহেব বললেন, আমার দেওয়া নম্বর কি উনারা বুঝে নিতে পারবেন? আমি তো বাঙলায় নম্বর লিখতে পারি না।

সবাই ভীষণ অবাক হলেন। মাওলানা মাহমুদুল হাসান সাহেব বললেন, আপনি কি আদর্শ লিপিও পড়েননি? বললেন, না পড়িনি। বাংলা অক্ষর জ্ঞান অর্জনের সুযোগ হয়নি জীবনে। আমি সাথে সাথে প্রতিবাদ করে বললাম, কিন্তু আপনার ডেস্কে তো আমি ফররুখের কবিতার বই দেখেছি। লিখতে না পারলেও পড়েছেন তো অনেক। একথা বলে মূলত আমি পরিবেশটা হালকা করতে চাইলাম। এরপর স্বাক্ষর গ্রহণের সময় আরও অবাক করা বিষয় সামনে আসলো। উর্দুতে স্বাক্ষর করলেন আব্দুল মালেক সাহেব। মুফতী মাহমুদ সাহেব বললেন নিজের নামটাও বাংলায় লিখা শেখেননি? খুব স্বাভাবিকভাবেই উত্তর দিলেন মাওলানা আব্দুল মালেক দা. বা., প্রয়োজন মনে করিনি কখনও।

বড় আলেমদের ত্রুটিগুলোর ব্যাখ্যা না করলে সমাজে মন্দ প্রভাব পড়বে। সাবইকে নিয়েই চলতে হবে এবং সবার সম্মান রক্ষা করতে হবে।

পরে আসার পথে মাওলানা হুসাইনুল বান্না সাহেব আমাকে বললেন, এটা কেমন কথা, নিজের মাতৃভাষায় নাম লেখা শিখতে প্রয়োজন বোধ করলেন না? খুবই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখলাম প্রফেসর সাহেবের। আমি বরং এর কোনো ভালো ব্যাখ্যা খোঁজার চেষ্টা করছি। বড় আলেমদের ত্রুটিগুলোর ব্যাখ্যা না করলে সমাজে মন্দ প্রভাব পড়বে। সাবইকে নিয়েই চলতে হবে এবং সবার সম্মান রক্ষা করতে হবে। পাঠক বলবেন, আপনি তো প্রকাশ করে দিলেন। না, এ তথ্য একদিন না একদিন প্রকাশ পাবেই। আমি আন্তরিকভাবেই এটাকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি।

লেখা শেষ করার আগে আমি একটি কথা বলব, জিহাদ আমরা কখনও অস্বীকার করিনি। আমরা জিহাদের সংজ্ঞা করেছি ব্যাপক। অর্থাৎ জিহাদকে আমরা কেবল যুদ্ধের ভেতর সীমাবদ্ধ মনে করি না। উলামায়ে দেওবন্দের ভেতর কেউ জিহাদকে যুদ্ধ ও কিতালে সীমাবদ্ধ মনে করতেন না। কেবল উস্তাদে মুহতারাম মুফতী সাইদ আহমাদ পালনপুরি রহ. সীমাবদ্ধ মনে করতেন। এ নিয়ে দেওবন্দের অন্য উস্তাদদেরও দেখেছি অসন্তোষ প্রকাশ করতে। পালনপুরি সাহেবকে শাইখুল হাদীস যাকারিয়া রহ. ও মুফতী মাহমুদ গাঙ্গুহি রহ.-এর স্পষ্ট উক্তি দেখানো হলে তিনি এটাকে ভুল বলতেন। নিজের দাবির সপক্ষে যুক্তি প্রমাণ উপস্থাপন করতেন। কিন্তু শেখ যাকারিয়া বা মুফতী মাহমুদ সাহেবকে কখনও বলেননি যে, তারা তাহরিফ করেছেন। তাহরিফ ফিদদিন-এর মত একটা অভিযোগে অভিযুক্ত করা বড়ই অন্যায়। এ কাজটি মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব করেছেন। উনার ছাত্ররা অবশ্য আমাকে বলেছেন, উনি ঘরোয়া মজলিসে বললেও সবার সামনে তো আর ফরীদ সাহেবের মত প্রচার করেননি। এই ওযর আমার কাছে ঠিক মনে হয় না। তথ্য প্রযুক্তির যুগে এধরনের ওযর প্রকাশ বেমানান।

শেষ কথা, আমি বলব, আমাদের আলেমদের হাজার মতানৈক্য থাক, কাছাকাছি বসে মতবিনিময় করা উচিত। মনের ভেতর ক্ষোভ পুষে রেখে দূরত্ব বাড়িয়ে চলা সঠিক কর্মপন্থা নয়। সাধারণ মানুষ আমাদের কাছ থেকেই শিখবে। তাদের আমরা কী শেখাচ্ছি? সবাইকেই ভেবে দেখতে বলব।

লেখক : খতিব, মুহাদ্দিস ও গবেষক

নিউজটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Design & Developed BY ThemesBazar.Com