১০ই এপ্রিল, ২০২০ ইং , ২৭শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৬ই শাবান, ১৪৪১ হিজরী

বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলো করোনাভাইরাস নিয়ে সতর্ক

বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলো করোনাভাইরাস নিয়ে সতর্ক

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম :: বিশেষ সতর্কতা আরোপ করা হয়েছে বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোকে। করোনাভাইরাস বা কভিড-১৯ আতঙ্কে পুরো বিশ্বের সাথে বাংলাদেশও অত্যন্ত সতর্ক রয়েছে। দেশে নানা ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোতেও সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।

বিদেশিদের বাংলাদেশের ভিসা দেয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ করে সম্প্রতি চীন থেকে ফিরেছেন এমন ব্যক্তিদের ভিসা দেয়া থেকে বিরত থাকছে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলো। দূতাবাসের পরিষেবাও যতটা সম্ভব অনলাইনে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

দূতাবাসের কার্যক্রম ঠিক রেখে নিজেদের যতটা সম্ভব নিরাপদ রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন বাংলাদেশের কর্মকর্তারা।

তাদেরকে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। বের হলেও মাস্কসহ প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে চীন, সিঙ্গাপুর, জাপানসহ যেসব দেশে ইতোমধ্যে করোনাভাইরাসের প্রকোপ দেখা দিয়েছে সেসব দেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোকে এসব নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করতে বলা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘দেখুন, করোনার বিষয়ে আমাদের মিশনগুলোকে অত্যন্ত সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছি। কারণ, এ ভয়াবহ ভাইরাসের প্রকোপ শুরু হলে আমাদের মতো দেশের তা মোকাবিলা করা অত্যন্ত কঠিন হবে। চীনের মতো শক্তিশালী দেশই যেখানে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে।’

চীনে বাংলাদেশ দূতাবাসে কর্মরত এক কর্মকর্তা বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবেই আমরা এখানে এক ধরনের ভীতির মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। তবে এ ভাইরাস প্রতিরোধে চীন সরকারের সব ধরনের নির্দেশনা আমরা মেনে চলছি। পাশাপাশি বাংলাদেশি কমিউনিটিকেও একই পরামর্শ মেনে চলতে অনুরোধ করে যাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘নিজেদের পাশাপাশি চীনে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়েও আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। যারাই দূতাবাসে যোগাযোগ করছেন, আমরা চেষ্টা করছি তাদের পাশে থাকতে।’

চীনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাহবুব উজ জামান বলেন, ‘সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে চীনের নাগরিকদের অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি আমরা চীনা নাগরিকদের ভিসা দেয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সচেতন রয়েছি। কোনো চীনা নাগরিক বাংলাদেশের ভিসার জন্য আবেদন করলে মেডিকেল রিপোর্টের মাধ্যমে সুস্থতার প্রমাণ দেখে সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে।’

এ বিষয়ে জাপান দূতাবাসে কর্মরত একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘সম্প্রতি চীন সফর করেছেন- এমন বিদেশিদের বাংলাদেশের ভিসা দেয়ার ক্ষেত্রে মেডিকেল রিপোর্ট চাওয়া হচ্ছে। তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ সেই প্রমাণ দেখানোর পরেই ভিসা দেয়া হচ্ছে। তবে ভিসা আবেদন অন্যান্য সময়ের তুলনায় কিছুটা কম।’

নিউজটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Design & Developed BY ThemesBazar.Com