বৃহস্পতিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৯:৪০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
যে কারণে অন্যদের চেয়ে ভিন্ন মারিয়ার ইসলাম গ্রহণ হঠাৎ করে আয়শার বাড়িতে হাজির আবুধাবির রাজা! মুর্শিদাবাদে প্রিয়াঙ্কা রেড্ডি ধর্ষকদের শাস্তির দাবীতে হিন্দ জমিয়তের মিছিল ভারতে আবারও ধর্ষণের শিকার নারীর শরীরে অগ্নিসংযোগ শিশুকে শিক্ষার সাথে দীক্ষাও দেই | রেক্স সালমান দুর্নীতি বিরুদ্ধে অভিযান চলমান থাকবে : সেতুমন্ত্রী নৈতিকতা বিবর্জিত শিক্ষার কারণেই মানুষ চরিত্রহীন হচ্ছে : চরমোনাই পীর মাওলানা আজিজুল হক হুজি প্রতিষ্ঠাতা উল্লেখ করে সংবাদ; ক্ষমা চাইলো যমুনা কানাকে কানা আর খোঁড়াকে খোঁড়া বলো না : প্রধানমন্ত্রী ইমাম হয়ে কাতার যেতে প্রধানমন্ত্রীর সহাযোগিতা চায় ‘হাফেজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন’

মশার উপদ্রব নিধনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে

মশার উপদ্রব নিধনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : মশা একটা ছোট্ট প্রাণী। পোকা। মানুষ আতঙ্কে থাকে এই মশার ভয়ে। ডাকাত বা খুনিকেও অতখানি ভয় পায় না মানুষ যতটা মশাকে ভয় পায়। ঘরের দরজা জানালা লাগিয়েও আবার মশারী টানিয়ে শুতে যায় সবাই। এ আতঙ্ক বাঁচার প্রধান উপায় হলো সচেতনতা।

সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারলে ডেঙ্গুর মতো মরণব্যাধি থেকে রক্ষা পাবে মানুষ। বর্তমানে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা কমছে। কিন্তু সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, পরিস্থিতি পুরো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আর সে কারণেই পুরোপুরি আশঙ্কামুক্ত হওয়া যাচ্ছে না। বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘মাঝারি নিয়ন্ত্রণ’ হিসেবেই দেখছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসংশ্লিষ্টরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী গত ৩০ বছরে বিশ্বজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে ৩০ গুণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আরো বলেছে, মশা হলো বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী প্রাণী।

দেশে এডিসবাহিত ডেঙ্গুর প্রকোপ কমে গেলেও মশার উৎপাত কমেনি বরং আরো বেড়েছে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ডেঙ্গু রোধে সরকারি উদ্যোগ ও আদালতের নির্দেশনায় সিটি করপোরেশনগুলোর তৎপরতায় বর্তমানে ভাটা পড়েছে। অন্যদিকে কীটতত্ত্ববিদরা বলছেন, এখন এডিসের দাপট কম হলেও কিউলেক্স মশার যে দাপট শুরু হয়েছে, তা দমাতে উদ্যোগ না নিলে আরো দুই-তিন মাস মানুষকে দিশাহারা করে রাখবে। ঢাকাসহ দেশের অন্য সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোকে মশা নিধন বা নিয়ন্ত্রণে আগের চেয়ে বেশি কাজ করতে হবে।

তাঁদের মতে, এডিসের চেয়ে কিউলেক্সের প্রজনন হার যেমন বেশি আবার বংশবৃদ্ধির পরিবেশও আমাদের দেশে অনেক বেশি। বিশেষ করে এই মশা ঘরে-বাইরে যেকোনো ময়লা-আবর্জনা, ডোবা-নালা-নর্দমায় হয়ে থাকে। এখনই যদি এই মশা নিয়ন্ত্রণে জোরালো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না যায়, তাহলে আগামী দুই-তিন মাস পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে। তখন তা সামাল দেওয়া আরো কঠিন হয়ে পড়বে। কারণ এ সময় এডিসের প্রজনন কম থাকলেও কিউলেক্সের প্রজনন অনেক বেশি থাকে। বিশেষ করে নালা-নর্দমা, ময়লা-আবর্জনা এই কিউলেক্সের প্রজনন ও বংশ বিস্তারের জন্য উপযুক্ত। সেই সঙ্গে তাপমাত্রাও থাকে কিউলেক্সের উপযুক্ত।

একটা কথা পরিষ্কার, মশা নিধন বা নিয়ন্ত্রণ শুধু সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার দায়িত্ব নয়, দেশের নাগরিকদেরও ভূমিকা রাখতে হবে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি শুধুই সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার একার নয়। এখানে নাগরিকদেরও দায়িত্ব রয়েছে। সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোকে মশক নিধনে ওষুধ ছিটানোর পাশাপাশি জনসচেতনা সৃষ্টির জন্য কাজ করতে হবে। এখনই সাবধান না হলে ভবিষ্যতে মশার উৎপাত আরো বাড়বে। আমরা আশা করব, সবাই যার যার অবস্থান থেকে মশক নিধকে ভূমিকা রাখবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Design & Developed BY ThemesBazar.Com