২৩শে জানুয়ারি, ২০২১ ইং , ৯ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৯ই জমাদিউস-সানি, ১৪৪২ হিজরী

মানবমূর্তি ও ভাস্কর্য পৌত্তলিকতার প্রতীক : চরমোনাই পীর

মানবমূর্তি ও ভাস্কর্য পৌত্তলিকতার প্রতীক : চরমোনাই পীর

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, মানবমূর্তি বা ভাস্কর্য নিয়ে দেশের শীর্ষ ধর্মীয় নেতাদের বিরুদ্ধে না গিয়ে সরকারকে ৯২ ভাগ মুসলমানের সেন্টিমেন্টকে বুঝার চেষ্টা করা উচিত। মানবমূর্তি বা ভাস্কর্য পৌত্তলিকতার প্রতীক। যা ইসলামী সংস্কৃতির বিপরীত। ভাস্কর্যকে কেন্দ্র করে সরকার দলীয় নেতাকমীরা যেভাবে দেশের শীর্ষ ধর্মীয় নেতাদের তুলোধূনা করছে এতে সরকারের মঙ্গল হবে না। দেশের ওলামায়ে কেরাম মানবমূর্তি বা ভাস্কর্য বিষয়ে বিশদ আলোচনার মাধ্যমে তা বুঝানোর চেষ্টা করছেন।

চরমোনাই পীর বলেন, বৃহত্তর জনতার সেন্টিমেন্টকে বুঝতে ব্যর্থ হলে তার খেসারত হয়তো সরকারকে দিতে হতে পারে। দেশের কোন ইসলামী নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অশ্রদ্ধা ও অসম্মান করেননি। বঙ্গবন্ধু শুধু কোন দল বা গোষ্ঠীর নেতা নন। স্বাধীনতার স্থপতি হিসেবে তাকে সবাই সম্মান করে। সঠিক পদ্ধতিতে বঙ্গবন্ধুর রূহের মাগফিরাত কামনার অধিকার সবারই আছে। অতএব ভাস্কর্যের নামে বঙ্গবন্ধুর মানবমূর্তির পরিবর্তে আল্লাহর নিরানব্বই নাম খচিত মিনার নির্মাণের দাবি করা যে বঙ্গবন্ধুর অসম্মান নয় বরং তাকে আরো শ্রদ্ধার আসনে বসানো, একথা যারা উপলব্ধি করতে পারে না, তারাই দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। শিক্ষা উপ-মন্ত্রী নওফেলসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রীসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দ দেশের সম্মানিত ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও তৌহিদী জনতার বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে দেশের বহত্তর জনগোষ্ঠীর অন্তরে আঘাত করেছেন। এরূপ ধৃস্টতাপূর্ণ বক্তব্যের জন্য দেশবাসীর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থণা করতে হবে।

মঙ্গলবার চরমোনাই মাদরাসায় বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময়কালে চরমোনাই পীর এসব কথা বলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Design & Developed BY ThemesBazar.Com