৩০শে মে, ২০২০ ইং , ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৬ই শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী

সংবাদ শিরোনাম :

রাতে তাণ্ডব চালিয়ে নিম্নচাপে পরিণত আম্ফান

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যারাত থেকে শুরু হয় অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডব। সারারাত এটি ঘূর্ণিঝড় রূপে থেকেই দেশের দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে তাণ্ডব চালিয়েছে। সারারাত তাণ্ডব চালানোর পর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার পর এটি স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়। এরপর স্থল নিম্নচাপ হিসেবে রাজশাহীতে অবস্থান করছিল আম্ফান।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জাগো নিউজকে এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদফতর।

এ সময় এক আবহাওয়াবিদ (তিনি নাম প্রকাশ করেননি) বলেন, ‘আম্ফান এখন রাজশাহী অঞ্চলে আছে। আম্ফান ঘূর্ণিঝড় (বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটারের ওপরে থাকলে ঘূর্ণিঝড় বলে) থেকে একধাপ নিচে নেমেছে। এটা এখন স্থল নিম্নচাপ হিসেবে আছে। আমরা কেবলই এটাকে নিম্নচাপ হিসেবে ইস্যু করলাম। সুতরাং এর কিছুক্ষণ আগ পর্যন্ত এটা ঘূর্ণিঝড় রূপেই ছিল।’

আম্ফান অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৫১ কিলোমিটার গতিতে আঘাত হানে সাতক্ষীরায়। এটি ছিল বাংলাদেশে আম্ফানের সর্বোচ্চ গতি বলেও জানায় আবহাওয়া অফিস।

আম্ফান একই অঞ্চলে কিছু সময়ের বিরতিতে দুইবার আঘাত হানে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। ওই আবহাওয়াবিদ আরও বলেন, ‘একটা ঘূর্ণিঝড়ের ব্যাসার্ধ থাকে ৩০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটার। আর ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্র থাকে ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার। ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রে বাতাস থাকে কম, আকাশ থাকে পরিষ্কার। ঘূর্ণিঝড়ের ব্যাসার্ধের সম্মুখ অংশ প্রথমে আঘাত হানে। তারপর যখন কেন্দ্রের অংশে যায়, তখন বাতাস কমে যায়। কেন্দ্র অংশ অতিক্রম করার পর ঘূর্ণিঝড়ের পেছনের অংশ আবার আঘাত করে প্রবল গতিতে। গত সারারাতে বাংলাদেশে এভাবে আঘাত করেছে ঘূর্ণিঝড়টি। সুতরাং আম্ফানের প্রথম ও শেষ আঘাতে বাতাস বেশি ছিল, মাঝখানে বাতাস কম ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘আম্ফান উপকূল অতিক্রম করার পর সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা এসব অঞ্চল অতিক্রম করে রাজশাহীতে অবস্থান করছে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে স্থল নিম্নচাপ রূপে। এটি গাইবান্ধা অঞ্চলে দিয়ে বিদায় নিতে পারে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Design & Developed BY ThemesBazar.Com