২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং , ৯ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৬ই সফর, ১৪৪২ হিজরী

রাফতানি আয়ে পাটপণ্যে আশার আলো

রাফতানি আয়ে পাটপণ্যে আশার আলো

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে অধিকাংশ ব্যবসা-বাণিজ্যে যখন মন্দাভাব, সেই সময়েও আশার আলো দেখাচ্ছে দেশের পাটশিল্প। এই করোনা সংকটের মধ্যেও রফতানি আয়ে সুখবর আনছে পাটপণ্য। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত সবশেষ প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম মাসে রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে পাট রফতানিতে। অর্থবছরের শুরুতেই ইতিবাচক ধারায় রফতানি, জুলাইয়ে আয় ৩৯১ কোটি ডলার।
এছাড়া জুলাই মাসে ১০ কোটি ৩৫ লাখ ডলারের পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৭ কোটি ৪৮ লাখ ডলার। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেড়েছে ৫ দমমিক ৪৪ শতাংশ।

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পাট ও পাটজাত পণ্যের রফতানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এবং লক্ষ্যমাত্রা থেকে আয় বেড়ে দাঁড়ায় ২৮ দশমিক ১২ শতাংশ এবং ওই সময়ে এই খাত থেকে আয় আসে ৬৯ কোটি ৭৬ লাখ ডলার।

এছাড়া অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২০ সালের মে) লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও পাটপণ্য রফতানি হয়েছে ৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ বেশি। আর গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই আয় ৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ বেশি। শুধু তাই নয়, এই ১১ মাসে রফতানি আয় আগের পুরো অর্থবছরের আয়কে ছাড়িয়ে গেছে।

বর্তমানে দেশ থেকে কাঁচা পাটের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের পাটজাত পণ্য রফতানি হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে কার্পেট, কাপড়, মন্ড, মোবাইল কাভার, জুতা, শিকা, পাপোস, ওয়ালমেট, টেবিলমেট, কুশন কভার ও বিভিন্ন পণ্যের ব্যাগ ইত্যাদি।

বর্তমানে ভারত, পাকিস্তান, আইভোরি কোস্ট, ব্রাজিল, ইথিওপিয়া, জার্মানি, স্পেন, ইংল্যান্ড, মিসর, চীন, জাপান, ইরান, ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের কাঁচা পাট ও পাটজাত পণ্যের চাহিদা বাড়ছে। দেশের ভেতরেও পাটজাত পণ্যের বাজার সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখছে সরকারি-বেসরকারি পাটকলগুলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
Design & Developed BY ThemesBazar.Com