১৬ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২রা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ৫ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

সাহাবাযুগেও কারিগরি প্রশিক্ষণ চালু ছিল : আল্লামা মাসঊদ

 মাসউদুল কাদির ● সাহাবাযুগেও কারিগরি প্রশিক্ষণমূলক কাজের নিয়মপদ্ধতি চালু ছিল বলে মন্তব্য করেছেন ইকরা বাংলাদেশ ও জাতীয় দ্বীনী মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ। তিনি বলেন, নবীজীর প্রিয় সাহাবাদের মধ্যে অনেকেই চামড়াশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। হযরত মুয়াবিয়া রা.-এর মা হিন্দা তৎকালীন আন্তর্জাতিক মানে চামড়াব্যবসায়ী ছিলেন। অনেকেই জীবনধারণের জন্য নানা ধরনের পেশায় যুক্ত ছিলেন। কারিগরি প্রশিক্ষণের নানারকম কাজ করতেন তারা। মুঘল আমলেও আলেমদের মধ্যে অনেকে নানারকম পেশায় কাজ করতেন।

একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম ও ইকরা বাংলাদেশ আয়োজিত সোমবার সকালে প্রাধনমন্ত্রীর কার্যালয় করবী হলে অনুষ্ঠিত আলেম অধ্যক্ষদের ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

মসজিদ মাদরাসায় পড়িয়ে অর্থগ্রহণ দুষণীয় নয় উল্লেখ করে আল্লামা মাসঊদ বলেন, একসময় আলেমরা মাদরাসায় পড়ানো বা মসজিদের খেদমাতকে জীবিকা নির্বাহের উপায় বানাননি। তারা বিভিন্ন পেশা গ্রহণ করে আয়ের পথ সুগম করেছিলেন।

শ্রমের প্রতি নবীজীর উৎসাহের কথা উল্লেখ করে বলেন, রহমতের নবী কাজকে ভালোবাসতেন। মানুষের কাছে হাত না পেতে জঙ্গলে রশি নিয়ে রোজগার করাকে মঙ্গলজনক হিসেবে অভিহিত করেছেন।

একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের মহাপরিচালক কবির বিন আনোয়ারের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, এটুআই প্রোগ্রামের জনপ্রেক্ষিত বিশেষজ্ঞ নাঈমুজ্জামান মুক্তা, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক আকতার আলী সরকার, সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক আবু মুহাম্মদ ইউসুফ, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক মোঃ সেলিম রেজা, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অশোক কুমার বিশ্বাস।

অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মাওলানা হুসাইনুল বান্না। উপস্থিত ডেলিগেটদের নানা প্রশ্নের দেন প্রধান অতিথি আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ, আসাদুজ্জামান আসাদসহ আরও অনেকে। এ ছাড়াও এটুআই দায়িত্বশীলগণও উপস্থিত ছিলেন।

 

Image may contain: 10 people, beard

শেয়ার করুন


সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ১৯৮৬ - ২০২১ মাসিক পাথেয় (রেজিঃ ডি.এ. ৬৭৫) | patheo24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com