পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ইফতেতাহি দারসের মধ্য দিয়ে রাজধানীর ঢাকার স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান জামিআ ইকরা বাংলাদেশের ১৪৪৬-৪৭ হিজরী শিক্ষাবর্ষের আনুষ্ঠানিক শিক্ষাকার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বুধবার (১৬ এপ্রিল) জামিআ ইকরা বাংলাদেশের রঈস ও কাকরাইল সার্কিট হাউজ মসজিদের খতীব মাওলানা আরীফ উদ্দীন মারুফ দা. বা. এ বরকতময় ইফতেতাহ করেন।
তিনি বলেন, ইলম আল্লাহ তাআলার সিফাত। তিনিই মহা ইলমের অধিকারী। তাই তাঁর এই সিফাত হাসিল করা নির্ভর করে তাঁর ইচ্ছা ও তাওফীকের উপর। আর তিনি আমাদেরকে এই তাওফীক দান করেছেন বলেই আমরা এখানে আসতে পেরেছি। তাঁর তাওফীক না হলে এখানে আসা সম্ভব হতো না। এখন আমাদের দায়িত্ব, এই তাওফীক ধরে রাখা।
শায়েখ আরীফ উদ্দীন মারুফ দা. বা. আরও বলেন, দুনিয়ার অন্য কিছু শেখার সাথে এই ইলমের তুলনা চলে না। দুনিয়ার অন্য যেকোনো কিছু শুধু মেহনত করলেই ফলাফল পাওয়া যায়। কিন্তু একমাত্র ইলমের ক্ষেত্রে সহিহ নিয়্যত আবশ্যক। আল্লাহ তাআলা নিয়্যত অনুযায়ী এই ইলম দান করে থাকেন।
ইলম হাসিল করতে হলে নিয়্যতের শুদ্ধতাকে আবশ্যক হিসেবে উল্লেখ করে জামিআ ইকরার রঈস বলেন, ইলম হাসিল করতে হলে আল্লাহর তাওফিক লাগবে। আর আল্লাহর তাওফিক পেতে হলে নিয়্যতকে বিশুদ্ধ করতে হবে। অন্তরে গেঁথে ফেলতে হবে যে, এই ইলম শেখার উদ্দেশ্য দুনিয়ার যশ-খ্যাতি অর্জন নয়। একমাত্র আল্লাহকে রাজি-খুশি করাই ইলম হাসিলের উদ্দেশ্য বানাতে হবে। তবেই আল্লাহ তাআলার তাওফিক লাভ করা যাবে।
অনুষ্ঠানে ছাত্রদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক নসিহত পেশ করেন জামিআর সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা আব্দুর রহীম কাসেমি, মুফতি হামিদুর রহমান, মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ ইয়াহইয়া, মুফতি আমিনুর রহমান কাসেমী, মুফতি রিয়াজুল ইসলাম, মুফতি মাহমুদুন নবী, মাওলানা শফিকুল ইসলাম, মাওলানা ওলী উল্লাহ, মুফতি আবু সালেহ যাকারিয়া, মুফতি মুহাইমিনুল জান্নাহসহ জামিআ ইকরা বাংলাদেশের অন্যান্য আসাতিযায়ে কেরাম।
এদিকে নতুন শিক্ষাবর্ষকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মাঝে গভীর আগ্রহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গিয়েছে। নতুন বছরে নতুন মারহালায় নতুন কিতাবের দারস নিতে মুখিয়ে আছে জামিআর নতুন-পুরাতন শিক্ষার্থীরা।


