গযওয়া উহুদ । পর্ব-৯

গযওয়া উহুদ । পর্ব-৯

হাওয়া বদলে গেল

কুরাইশ বাহিনী পরাজিত হয়ে প্রাণ ভয়ে ঊর্ধ্বশ্বাসে দৌড়াতে লাগল। মেয়েরা ‘হায়! হায়!’ রবে চিৎকার করছিল। হযরত যুবায়র রা. বলেন, হিন্দ বিনত ‘উৎবা এবং তার সঙ্গীনীদের দেখলাম কাপড় টেনে দৌড়াচ্ছে, এমনকি পায়ের অলঙ্কার দেখা যাচ্ছিল। মুসলিম বাহিনী যেভাবে ইচ্ছা শত্রুদের নিধন করে যাচ্ছিলেন আর গনিমতঃ সম্পদ একত্রিত করছিলেন।

আয়নাইন পাহাড়ে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পশ্চাদ্দেশ রক্ষার জন্য তীরন্দাজদের যে বাহিনী হযরত আবদুল্লাহ ইবন জুবায়র রা. এর নেতৃত্বে মোতায়েন করেছিলেন, তাঁরা যখন দেখলেন যে, বিজয় সুস্পষ্ট তখন তাঁরা বললেন, আমাদের আর এখানে দাঁড়িয়ে থেকে লাভ নেই। ময়দানের সাহাবীদের সাথে যেয়ে গনিমত সংগ্রহ করতে সাহায্য করা উচিত।

হযরত আবদুল্লাহ ইবন জুবায়র রা. তাঁদেরকে কঠোরভাবে নিষেধ করলেন। বললেন, তোমরা জানো না? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তো নির্দেশ দিয়েছেন, ‘পশ্চাদ্দিক থেকে আমাদের রক্ষা করবে, কোনো অবস্থায়ই জায়গা ছাড়বে না। আমাদের নিহত হতে দেখলেও সাহায্য করতে আসবে না। আর বিজয়ী হয়ে গনিমত সম্পদ সংগ্রহ করতে দেখলেও তাতে শরীক হবে না। পিছনদিকটা দেখে রাখবে।’

কিন্তু কেউ কেউ বললেন, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশের আক্ষরিক অর্থ উদ্দেশ্য নয়, তিনি আমাদেরকে জোর দিতে গিয়ে একথা বলেছিলেন।

এরপর সুনিশ্চিত বিজয় দেখে তাঁদের দশজন ছাড়া বাকী সবাই স্থান ছেড়ে দিলেন এবং গনিমত সংগ্রহে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। হযরত আবদুল্লাহ ইবন জুবায়র রা. তাঁর দশজন সঙ্গী নিয়ে ঐ স্থানেই ব্যূহ রচনা করে দাঁড়িয়ে থাকলেন।

এদিকে কুশলী কুরাইশ সেনাপতি খালিদ ইবনুল ওলীদ পালানোর সময় হঠাৎ দেখেন, ঘাঁটির পথ প্রায় খালি। সামান্য কয়েকজন মুসলিম যোদ্ধা দাঁড়িয়ে আছে। তিনি তার অশ্বারোহী দলটি নিয়ে প্রবল বেগে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। বীরদর্পে হযরত আবদুল্লাহ ইবন জুবায়র রা. ও তাঁর দশজন সঙ্গী সবাই শহীদ হয়ে গেলেন। হযরত আবদুল্লাহ ইবন জুবায়র রা. এর লাশের উপর কুরাইশ বাহিনী আক্রোশে ফেটে পড়ে এবং তাঁর নাক-কান কেটে বিকৃত করে। পেটের নাড়িভুঁড়ি বের করে ফেলে।

সাহাবীগণ নিশ্চিন্ত মনে গনিমত সামগ্রী জড়ো করেছিলেন। এমন সময় খালিদ বাহিনী ‘ইয়া লাল উয্যা! ইয়া লাল হুবাল! —জয় উয্যা, জয় হুবাল’ বলে অতর্কিতে পেছনদিক থেকে হামলে পড়ল। সাথে সাথে সামনের দিক দিয়ে যারা পালাচ্ছিল তারাও ফিরে আক্রমণ করল। মুসলিম বাহিনী দুই দলের মাঝে পড়ে হতভম্ব হয়ে গেল। শয়তানও উচ্চকণ্ঠে মনুষ্য স্বরে আওয়াজ দিল, ‘ইয়া ইবাদাল্লাহি ইখ্ওয়ানাকুম —হে আল্লাহর বান্দাগণ, তোমাদের ভাইদের দিকে তাকাও।’ মুসলিম বাহিনী আরো বিভ্রান্ত হয়ে পড়ল। শক্রুমিএ মিশ্রিত হয়ে পড়ল। নিজেদের হাতেও অনেকে কাটা পড়ল। এইদিকে ইঙ্গিত করে ইরশাদ হচ্ছে,

وَلَقَدْ صَدَقَكُمُ اللَّهُ وَعْدَهُ إِذْ تَحُسُّونَهُم بِإِذْنِهِ ۖ حَتَّىٰ إِذَا فَشِلْتُمْ وَتَنَازَعْتُمْ فِي الْأَمْرِ وَعَصَيْتُم مِّن بَعْدِ مَا أَرَاكُم مَّا تُحِبُّونَ ۚ مِنكُم مَّن يُرِيدُ الدُّنْيَا وَمِنكُم مَّن يُرِيدُ الْآخِرَةَ ۚ ثُمَّ صَرَفَكُمْ عَنْهُمْ لِيَبْتَلِيَكُمْ ۖ وَلَقَدْ عَفَا عَنكُمْ ۗ وَاللَّهُ ذُو فَضْلٍ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ

আল্লাহ তোমাদের সাথে তাঁর প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছিলেন যখন তোমরা আল্লাহর অনুমতিক্রমে তাদেরকে বিনাশ করছিলে, যে পর্যন্ত না তোমরা সাহস হারালে এবং নির্দেশ সম্বন্ধে মতভেদ সৃষ্টি করলে এবং যা তোমরা ভালোবাসো তা তোমাদেরকে দেখানোর পর তোমরা অবাধ্য হলে। তোমাদের কিছুসংখ্যক দুনিয়া চাচ্ছিল আর কিছুসংখ্যক চাচ্ছিল পরকাল। অতঃপর তিনি পরীক্ষা করার জন্য তোমাদেরকে তাদের হতে ফিরিয়ে দিলেন। অবশ্য তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিলেন এবং আল্লাহ মুমিনদের প্রতি অনুগ্রহশীল। সূরা আল-ই-ইমরান : ১৫২ 

সাহাবীদের নিজেদের হাতে হযরত হুযায়ফার পিতার শাহাদত

হযরত হুযায়ফা রা. এর পিতা হুসায়ল আল ইয়ামান রা. এবং তাঁর একান্ত বন্ধু ছাবিত ইবন ওয়াকশ রা. ছিলেন তখন বেশ বৃদ্ধ। তাই তাঁদেরকে বিশেষ নিরাপত্তা দিয়ে নারী ও শিশুদের সঙ্গে মদীনার সংরক্ষিত উঁচু গড় (আতাম)-এ পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিল। যুদ্ধের দিন তাঁরা একজন অপরজনকে বললেন, কিসের অপেক্ষা করছো? আমাদের জীবনে গাধার পিপাসা নিবারণ-সময়ের মতো সামান্য সময়ই তো আছে। আজ হোক বা কাল, আমরা মরে যাব। চলো, তলোয়ার হাতে নিই এবং নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে যুদ্ধে শরীক হই। হয়তো আল্লাহ পাক আমাদেরকে তাঁর পথে শাহাদত নসীব করবেন।

তাঁরা অস্ত্র হাতে নিলেন এবং মুশরিক বাহিনীর দিক থেকে আক্রমণ শুরু করলেন। মুসলিমরা বিষয়টি জানতেন না। হযরত ছাবিত রা. মুশরিকদের হাতে শহীদ হয়ে গেলেন। মুসলিম বাহিনী যখন হতভম্ব, কেউ কাউকে চিনতে পারছিল না, হযরত হুসায়ল রা. মুসলিম বাহিনীর শিকার হলেন। হযরত হুযায়ফা রা. তা দেখে চিৎকার করে উঠলেন, তোমরা কী করছো? ইনি তো আমার পিতা!

কিন্তু বিষয়টি বুঝে উঠার আগেই তিনি মুসলিমদের হাতে শহীদ হয়ে গেলেন। শেষে হযরত হুযায়ফা রা. বললেন, আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করুন। তিনি তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।  পরেও এই দুঃখ হযরত হুযায়ফার অক্ষুণ্ণ ছিল। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে তাঁর পিতার ‘দিয়্যত’ বা রক্তপণ দিয়েছিলেন। হযরত হুযায়ফা রা. তা মুসলিমদের কল্যাণে সদকা করে দিয়েছিলেন।

নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পতাকা মাটিতে গড়াতে দিব না কখনো

হযরত মুসআব রা. ছিলেন মক্কার খুবই ধনাঢ্য পরিবারের আদুরে সন্তান। কিন্তু ইসলামের জন্য সবকিছুই পরিত্যাগ করেছিলেন তিনি। মদীনার আনসারীগণ যখন প্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন, তখন নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকেই তাঁদের শিক্ষার জন্য প্রেরণ করেছিলেন। বলতে গেলে তাঁরই অক্লান্ত পরিশ্রমে মদীনায় অতি দ্রুত ইসলামের বিস্তার ঘটে। উহুদ যুদ্ধে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর হাতেই ইসলামের পতাকা তুলে দিয়েছিলেন। মুসলিম বাহিনী যখন সামনে-পেছনে উভয়দিক থেকে আক্রান্ত ও হতবিহ্বল, তখনও তিনি পতাকা ডান হাতে উঁচু করে ধরে বীরবিক্রমে লড়াই করে যাচ্ছিলেন। এমন সময় হঠাৎ এক আক্রমণে তাঁর ডান হাত ছিন্ন হয়ে যায়। তৎক্ষণাৎ তিনি বাম হাতে পতাকাটি ধরে রাখলেন। দুশমনরা বাম হাত লক্ষ্য করে আঘাত করে তা কেটে ফেলল। তিনি দুই বাহুতে বুকের সঙ্গে পতাকাটি চেপে ধরে তা লুটিয়ে পড়া থেকে রক্ষা করেন। তখন পাঠ করছিলেন,

وَمَا مُحَمَّدٌ إِلَّا رَسُولٌ قَدْ خَلَتْ مِن قَبْلِهِ الرُّسُلُ

‘মুহাম্মদ’ একজন রাসূল মাত্র, তাঁর পূর্বে বহু রাসূল গত হয়েছেন। (সূরা আল-ই-ইমরান : ১৪৪)

অথচ তখনও এই আয়াতটি নাযিল হয়নি। শেষে শত্রুবাহিনী তাঁকে শহীদ করে ফেলে। আল্লাহর ফেরেশতা পতাকাটি হাতে তুলে নেন। মৃত্যু পর্যন্ত তিনি নবীজীর পতাকা ধুলোয় ধূসরিত হতে দেননি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত আলী রা. এর হাতে ঝান্ডা তুলে দিলেন।

শয়তানের প্রতারণা

প্রখ্যাত সাহাবী হযরত জুআল ইবন সুরাকা রা. এক পাশে তীব্র লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন। হযরত মুসআব রা. শহীদ হয়ে গেলে শয়তান ইবলিশ হযরত জুআলের আকৃতি ধারণ করে ময়দানে চিৎকার করে বলে উঠল, ‘মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিহত!’ এই অপপ্রচারকারে সাহাবীগণ আরো বিভ্রান্ত, আরো বিমূঢ় হয়ে পড়লেন। কারো কারো মুখ থেকে বেরিয়ে গেল, তাহলে আর যুদ্ধ করে লাভ কী? চলো নিজ নিজ বাড়ি ফিরে যাই। কিন্তু ঈমান আপ্লুত সাহাবীগণ তেজোদৃপ্ত হয়ে বললেন, নবীজী যদি না-ই থাকেন তবে বেঁচে থেকে লাভ কী? চলো, তিনি যেখানে গেছেন আমরাও সে পথে শাহাদতের পেয়ালা ভরে নিই। 

হযরত আনাস ইবন নযর রা. আবেগ-উদ্বেল ডাক দিলেন, হে লোকসকল, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি না-ই থাকেন তবে তাঁর আল্লাহ তো হামেশা আছেন। যে পথে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রাণ দিয়েছেন, সে পথে তোমরাও লড়ে যাও। সে পথেই তোমরা তোমাদের প্রাণ বিসর্জন দাও। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অবর্তমানে বেঁচে থেকে কী করবে?

হযরত খারিজা ইবন যায়দ রা. মারাত্মকভাবে তখন আহত।তেরটি আঘাত ছিল তাঁর শরীরে। একজন বলল, শুনেছো? মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো নিহত। হযরত খারিজা দৃঢ় কণ্ঠে বললেন, আল্লাহ তো চিরঞ্জীব, তাঁর তো মৃত্যু নেই। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তো তাঁর রব পরওয়ারদিগারের পয়গাম পৌঁছে দিয়েছেন। এসো সেই পথে লড়ো।

শরীরে বারটি আঘাত নিয়ে হযরত সা‘দ ইবনুর রবী‘ ছিলেন জখমে চুরচুর। একজন বলল, খবর পাওনি? মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো আর নেই। হযরত সা‘দ বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর প্রভুর পয়গাম পৌঁছে দিয়েছেন। সেই দ্বীনের জন্য লড়াই করে যাও। আল্লাহ তো চিরঞ্জীব, মৃত্যু নেই তাঁর।

হযরত আব্বাস ইবন ‘উবাদা, খারিজা ইবন যায়দ এবং আওস ইবন আরকাম রা. উচ্চস্বরে ডাক ছাড়লেন, ওহে মুসলিম সম্প্রদায়, আল্লাহ ও তাঁর নবীর কথা স্মরণ করো। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কথা না মানার কারণেই আজ এই বিপদ। ধৈর্য ধরে টিকে থাকার মাঝেই রয়েছে আল্লাহর সাহায্যের ওয়াদা।

এরপর হযরত আব্বাস ইবন ‘উবাদা শিরস্ত্রাণ ও লৌহবর্ম খুলে ফেললেন। হযরত খারিজাকে বললেন, এগুলো কি লাগবে আপনার? হযরত খারিজা বললেন, না। আপনার যা কাম্য আমারও তাই কাম্য। আব্বাস ইবন ‘উবাদা রা. বললেন, আমাদের কারো চোখের পলক নড়বে আর নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কিছু ঘটবে, তাহলে আল্লাহর কাছে আমাদের কী জবাব থাকবে? খারিজা রা. বললেন, আমরা বেঁচে থাকতে নবীজীর কিছু ঘটলে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর কাছে আমাদের কোনো উত্তর থাকবে না।

এরপর তারা তিনজন শত্রুব্যূহ ভেদ করে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। হযরত আব্বাস ইবন ‘উবাদা এবং আওস ইবন আরকাম রা. শহীদ হয়ে গেলেন।

যুদ্ধের এক চরম বিশৃঙ্খল অবস্থা। এইদিকে ইঙ্গিত করে আল্লাহ পাক নাযিল করেন,

وَمَا مُحَمَّدٌ إِلَّا رَسُولٌ قَدْ خَلَتْ مِن قَبْلِهِ الرُّسُلُ ۚ أَفَإِن مَّاتَ أَوْ قُتِلَ انقَلَبْتُمْ عَلَىٰ أَعْقَابِكُمْ ۚ وَمَن يَنقَلِبْ عَلَىٰ عَقِبَيْهِ فَلَن يَضُرَّ اللَّهَ شَيْئًا ۗ وَسَيَجْزِي اللَّهُ الشَّاكِرِينَ

‘মুহাম্মদ’ একজন রাসূল মাত্র, তাঁর পূর্বে বহু রাসূল গত হয়েছেন। সুতরাং যদি তিনি মারা যান অথবা তিনি নিহত হন তবে কি তোমরা পৃষ্ঠপ্রদর্শন করবে? আর কেউ পৃষ্ঠপ্রদর্শন করলে সে তো আল্লাহর কোনো ক্ষতি করবে না; আর আল্লাহ শীঘ্রই কৃতজ্ঞদেরকে পুরস্কৃত করবেন।

এক দল মদীনার দিকে আশ্রয়ের জন্য দৌড়ালেন। বিখ্যাত মহিলা সাহাবী হযরত উম্মু আয়মান রা. এদেরকে দেখে তাঁদের মুখে ধুলো ছুড়ে মারলেন। বললেন, লজ্জা নেই তোমাদের? এই নাও চরকা, ঘরে বসেই চরকায় সূতা কাটো আর তরবারিটা আমাকে দিয়ে দাও। কেউ কেউ পাহাড়ের চূড়ায় উঠে গেলেন, অনেকেই শহীদ হলেন।

চলবে……………………

Related Articles