পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “রাজনৈতিক সমঝোতা করা খুব কঠিন কাজ, সে তুলনায় চাঁদাবাজির সমঝোতা অনেক সহজ। সরকার শুল্ক কমালেও বাজারে নিত্যপণ্যের দাম কমছে না। এর পেছনে একটি কারণ, সমঝোতার মাধ্যমে চাঁদাবাজি জারি রাখা।”
রবিবার (১৫ ডিসেম্বর) ঢাকার গুলশান ক্লাবে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশের (আইবিএফবি) বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থ উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “যেকোনো বাজারে গেলে ২-৩ ধরনের চাঁদাবাজ দেখা যায়। এদের ভেতর কিছু (চাঁদাবাজ) আগের সরকারের, কিছু লোক ভবিষ্যৎ সরকারের চাঁদাবাজ, আর কিছু লোক স্থানীয়। তাঁরা পরস্পর সমঝোতা করে চাঁদাবাজি করেন।”
সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘‘আমি নিজে কারওয়ান বাজারে গিয়েছি। সেখানে দেখেছি, চাঁদাবাজি তিন ভাগে ভাগ করা; সবার ভেতর সমঝোতা আছে। অথচ আমাকে বলা হচ্ছে, সিন্ডিকেট ভাঙো।”
অর্থ উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘‘উৎপাদক ও ভোক্তার মাঝখানের বাড়তি দামটা অকারণে হয়। সরবরাহ শৃঙ্খলের মধ্যে কিছু ব্যক্তি অবশ্যই থাকবেন, যারা পণ্য সরবরাহে সহযোগিতা করেন। কিন্তু বাজারে ট্রাকটা এলে তা ছুঁয়ে দিয়ে যারা বলেন, ‘আমাকে ৫০০ টাকা দাও;’ তাঁরা মধ্যবর্তী লোক নন, তারা চাঁদাবাজ। এভাবে ৫ লাখ টাকার পেঁয়াজবোঝাই ট্রাক বাজারে এলে তা একস্থানে দাঁড়িয়েই ৭ লাখ টাকা হয়ে যায়।”


