পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ইসরায়েল এখনো গাজা উপত্যকাজুড়ে বাড়িঘর ও স্কুলে হামলা চালাচ্ছে। নুসেইরাত আশ্রয় শিবিরে হামলায় কয়েক ডজন লোক হত্যার একদিন পর বেশ কয়েকজনকে হত্যা ও আহত করেছে দখলদার বাহিনী।
ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, শনিবার ভোরের অভিযানে সাদুল্লাহ পরিবারের চার সদস্যকে জাবালিয়ায় তাদের বাড়িতে, গাজা শহরের উত্তর-পূর্বে একটি স্কুলে দুইজন এবং খান ইউনিসের দক্ষিণে একটি তাঁবুতে আশ্রয় নেওয়া একজনকে হত্যা করা হয়েছে।
ওয়াফার খবর অনুসারে, সেই দিনের পরে গাজা শহরের পশ্চিমে উত্তর আল-রিমাল পাড়ায় আল-মাজিদা ওয়াসিলা স্কুলে হামলায় সামরিক বাহিনী সাত জনকে হত্যা করা হয়েছে।
বার্তা সংস্থাটি গাজা শহরের উত্তর-পশ্চিমে জালা জংশনে বেসামরিকদের একটি গ্রুপের উপর ড্রোন হামলার কথাও জানিয়েছে, যাতে একজন মহিলা নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়। আল-নুসেইরাত ক্যাম্পের পশ্চিমে বিমান হামলায় আরেক বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
রাফাহ শহরের পশ্চিমে আল-মাওয়াসি এলাকায় ড্রোন হামলায় আরও পাঁচ নাগরিক আহত হয়েছেন।
ইসরায়েল অন্তত ৩৬ জনকে হত্যা করার ঠিক একদিন পরেই এই হামলার ঘটনা ঘটে। ৩৬ জনের মধ্যে বেশিরভাগই নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে আল-শেখ আলী পরিবারের। এ ঘটনা ব্যাপক নিন্দার জন্ম দেয়।
ওয়াফা অনুসারে, উত্তর গাজায়, যা গত দুই মাস ধরে আরও কঠোর অবরোধের মধ্যে রয়েছে, কামাল আদওয়ান হাসপাতালে গুলি চালানোর সময় ইসরায়েলি বাহিনী বিল্ডিং উড়িয়ে দিয়েছে এবং বেইত লাহিয়া ও আশেপাশের কয়েক ডজন বাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে।
দেইর এল-বালাহ থেকে আল জাজিরার তারেক আবু আজউম রিপোর্ট করেছেন। তিনি আগের দিন বেইত লাহিয়ার কাছে কামাল আদওয়ান হাসপাতালে রাতভর আক্রমণের কথা উল্লেখ করেছেন, যেখানে মেডিকেল কর্মীরা আহত এবং একটি অ্যাম্বুলেন্সে আগুন লেগেছে।
তিনি বলেছেন, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী অ্যাম্বুলেন্সগুলোকে পরিষেবা থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
“একই সঙ্গে তারা মেডিকেল টিমের উপর আরও চাপ দেওয়ার চেষ্টা করছে যারা এখনো কামাল আদওয়ান হাসপাতালে আটকে আছে,” তিনি বলেন।
গত মাসে ড্রোন হামলায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটের পরিচালক নিহত হন।
সূত্র: আল জাজিরা


