পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, এ কথা স্বীকার করতে হবে চুক্তি বাস্তবায়ন হচ্ছে না মানেই এখানে কিছু সমস্যা আছে। সেই সমস্যাগুলো আমরা সামাধানের চেষ্টা করছি। ছোটখাটো বিষয়গুলো আমরা শেষ করে একেবারে শেষ করে ফেলতে চাচ্ছি। আর যেগুলো একটু কঠিন ও বড় বিষয় রয়েছে সেগুলো কীভাবে সমাধান করা যায় সে রাস্তা খোঁজার চেষ্টা করা হচ্ছে।
শনিবার (১৯ জুলাই) সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড রেস্ট হাউজের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির ১০ম সভা শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
ভূমি জরিপ ও চুক্তির অবাস্তবায়িত ধারাগুলো নিয়ে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে এবং খুব দ্রুতই পরবর্তী সভা করা হবে বলে জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।
ঢাকায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের কার্যালয় খোলার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আজকের নির্ধারিত বিষয় ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।
পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) বলেন, ‘আজ অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। সভা নিয়ে এর চেয়ে বেশি কিছু বলে রাজি হননি তিনি।’
আরও পড়ুন: পার্বত্য চুক্তির সঙ্গে সংবিধানের সাংঘর্ষিক ধারা পুনঃমূল্যায়নের দাবি
সভায় উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) কমিটির অন্যতম সদস্য ও ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরণার্থী প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসন এবং অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু নির্দিষ্টকরণ ও পুনর্বাসন সম্পর্কিত টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান সুদত্ত চাকমা সভায় যোগদান করেন।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা, আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য গৌতম চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব শামসুল হক, মঙ্গল চন্দ্র পাল।
এসময়, বিগত সভার কার্যবিবরণী নিয়ে আলোচনা, বিগত সভার সিদ্ধান্তসমূহরে বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন ও আলোচনা এবং পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।
উল্লেখ, ঢাকায় গত ৩০ এপ্রিল ২০২৪ সালে ৯ম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিলো।


