পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : আবারও চালের বাজারে উত্তাপ। গরিবের আহার মোটা চালের কেজিতে তিন টাকা বৃদ্ধির পাশাপাশি সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের চালের দামই কেজিতে বেড়েছে অন্তত পাঁচ টাকা।
বাজারে চালের সরবরাহ বাড়ানো, দেশের আপামর জনগণের ভবিষ্যৎ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং চালের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চালের ওপর আমদানি শুল্ক ও রেগুলেটরি শুল্ক হ্রাস এবং আগাম কর প্রত্যাহার করেছে।
এনবিআরের ২০ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপন বলা হয়েছে, চালের ওপর বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ, বিদ্যমান রেগুলেটরি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ এবং বিদ্যমান ৫ শতাংশ আগাম কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে। চাল আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক-কর হ্রাসের ফলে প্রতিকেজি চালের আমদানি ব্যয় ১৪ দশমিক ৪০ টাকা কমবে।
তবে সোমবার (২১ অক্টোবর) রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট কাঁচা বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরায় এক কেজি বিআর-২৮ চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬২-৬৪ টাকা। অথচ সাত দিন আগেও যা বিক্রি হয়েছে ৫৬-৫৮টাকা। আর পাঁচ টাকা বেড়ে মিনিকেটের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭২-৭৫ টাকা।
খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, চলতি মাসের শুরু থেকেই চালের দাম বাড়ছিল। মাঝখানে সেটি কিছুটা স্থিতিশীল হয়। তবে বর্তমানে পাইকারি পর্যায়ে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে চাল। তাই খুচরায়ও বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামেই।
এতে হাঁসফাঁস অবস্থা সাধারণ ভোক্তাদের। উচ্চমূল্যের কারণে অনেকেই নিচ্ছেন প্রয়োজনের তুলনায় কম। তারা বলছেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে মিল পর্যায়ে তদারকি করতে হবে। তবেই নিয়ন্ত্রণে আসবে বাজার।


