পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে গোপনে দেখা করেছেন ইলন মাস্ক।
তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা নিরসনের চেষ্টার অংশ হিসেবে এই সাক্ষাৎ করেন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ এই সহযোগী, যাকে সম্প্রতি হোয়াইট হাইজে নিয়োগের জন্য বেছে নিয়েছেন ট্রাম্প।
বৃহস্পতিবার দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ইরানের একাধিক অজ্ঞাতনামা সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশ করা প্রতিবেদনটি। এতে বলা হয়েছে, বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের মাস্ক ও ইরানি রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানির মধ্যকার এ বৈঠক ছিল ‘ইতিবাচক’।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,, গত সোমবার গোপন স্থানে আমির সাঈদ ও ইলন মাস্কের মধ্যে এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ওই বৈঠক চলে।
তবে ট্রাম্পের অন্তর্বর্তী দল বা জাতিসংঘে ইরানের মিশন তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়াটি নিশ্চিত করেনি। ইরানের মিশন বলেছে, এ নিয়ে তাদের বলার কিছু নেই।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম দফায় যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তখন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আন্তর্জাতিক একটি চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন। বারাক ওবামার শাসনামলে হওয়া ওই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে আনা ছাড়াও ট্রাম্প ইরানকে ‘সর্বোচ্চ চাপে’ রাখার নীতি অনুসরণ করেছিলেন।
তবে সর্বশেষ নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় ট্রাম্প নিজেকে একজন বড় মাপের মধ্যস্থতাকারী ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রে খোলামনের অধিকারী হিসেবে তুলে ধরেছেন। যদিও ইসরায়েলের প্রতি তার সমর্থন প্রকাশ্য। ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত থাকার মধ্যেই নেতানিয়াহু সম্প্রতি ইরানের মাটিতে হামলার নির্দেশ দেন।
এদিকে ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, বৈঠকে ইরানের রাষ্ট্রদূত মাস্ককে তেহরানের ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞাগুলো তুলে নিতে ও ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করতে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।


