পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন দূতাবাসের একটি লজিস্টিক সহায়তা ক্যাম্পে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে এই হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এই হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বাগদাদের ওই এলাকা লক্ষ্য করে একাধিকবার হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলি বাহিনীর এক ভয়াবহ হামলায় ইরানের চারজন কূটনীতিক নিহত হয়েছেন। গত রবিবার (৮ মার্চ) রাতে বৈরুতের রামাদা হোটেলে এই হামলা চালানো হয়। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি আমির-সাঈদ ইরাভানি মঙ্গলবার জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে লেখা এক জরুরি চিঠিতে জানান, ইসরায়েলি সেনারা ইচ্ছাকৃতভাবে ওই হোটেলে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে, যাতে চারজন ইরানি কূটনীতিক ‘শহীদ’ হয়েছেন।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বৈরুতের ওই হোটেলে হামলার কথা স্বীকার করলেও তাদের দাবি ভিন্ন। আইডিএফ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্যবস্তু ছিল ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের শীর্ষ কমান্ডাররা। বিশেষ করে কুদস ফোর্সের লেবানন ও প্যালেস্টাইন কর্পসের পাঁচজন কমান্ডারকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। আইডিএফের মতে, এই ইউনিটটি ইরান ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সংযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, হোটেলের একটি কক্ষ লক্ষ্য করে চালানো এই হামলায় চারজন নিহত এবং ১০ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, লেবাননজুড়ে ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলা অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার লেবাননের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইউনিটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় দেশটিতে নিহতের সংখ্যা ৫৭০ জনে দাঁড়িয়েছে এবং আহত হয়েছেন ১ হাজার ৪৪৪ জন। এছাড়া যুদ্ধের কারণে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭ লাখ ৬০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।


