পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : এছাড়াও ভারতের হামলায় ৪০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে সাতজন নারী ও ১৫ জন শিশু রয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার পারমাণবিক শক্তিধর দুই দেশ ভারত ও পাকিস্তানের সংঘাতে ১১ জন পাকিস্তানি সেনা সদস্য নিহত এবং আরো ৭৮ জন আহত হয়েছেন। এছাড়াও সাম্প্রতিক এ সংঘাতে পাকিস্তানে প্রাণ হারিয়েছেন ৪০ জন বেসামরিক নাগরিক। নিহতদের মধ্যে সাতজন নারী ও ১৫ শিশুও রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ মে) পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন এ তথ্য জানিয়েছে।
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, ‘ভারতের উসকানিমূলক ও নিন্দনীয় হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে কমপক্ষে ১১ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো ৭৮ জন। একইসাথে ভারতীয় আগ্রাসনে ৪০ জন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের মধ্যে সাতজন নারী ও ১৫ জন শিশু রয়েছে এবং আরো ১২১ জন আহত হয়েছেন।’
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দেশের মধ্যে সামরিক সংঘর্ষ শুরু হয় যখন ভারত পেহেলগাম হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে। এর জেরে ভারত গত ৬ থেকে ৭ মে রাতে পাকিস্তানে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালায়, যার ফলে বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়। এরপরই উভয় পক্ষ পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে, যা সপ্তাহব্যাপী চলে। অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, নিহত সেনাদের মধ্যে রয়েছেন, নায়েক আবদুর রহমান, ল্যান্স নায়েক দিলাওয়ার খান, ল্যান্স নায়েক ইকরামুল্লাহ, নায়েক ওয়াকার খালিদ, সিপাহি মোহাম্মদ আদিল আকবর এবং সিপাহি নিসার।
এছাড়া পাকিস্তান বিমান বাহিনীর নিহত সদস্যরা হলেন, স্কোয়াড্রন লিডার উসমান ইউসুফ, চিফ টেকনিশিয়ান আওরঙ্গজেব, সিনিয়র টেকনিশিয়ান নাজিব, কর্পোরাল টেকনিশিয়ান ফারুক, সিনিয়র টেকনিশিয়ান মুবাশির।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের জন্য চিরন্তন অনুপ্রেরণা। তাদের সাহস, দায়িত্ববোধ ও নিঃস্বার্থ দেশপ্রেম পাকিস্তানের ইতিহাসে অমলিন হয়ে থাকবে।’
এতে আরো বলা হয়েছে, ‘পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব বা ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে আবারো চ্যালেঞ্জ করার যেকোনো প্রচেষ্টার দ্রুত সর্বাত্মক ও চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে তার জবাব দেয়া হবে।’
সূত্র: দ্য ডন


