পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : এপ্রিলে প্রথম দফায় কাঁচা ধান, দ্বিতীয় দফায় পাকা ধান, সবজি, গম, আউশ বীজতলা হারিয়ে তারা এখন দিশেহারা। আউশের বীজতলা করার সুযোগ নেই। চারাও পাওয়া যায় না। যারা বোরো ধান কেটে এনেছেন, তারা ধান শুকাতে পারছেন না।
বাড়ির আঙ্গিনা স্যাঁতস্যাঁতে, খলা (চাতাল) ডুবে আছে। তাই বড় রাস্তায় তারা ধান শুকচ্ছেন এলাকাবাসী। এই পরিস্থিতিতে কৃষিক্ষেত্রে ব্যাপক পুনর্বাসন কর্মসূচি প্রয়োজন। কিন্তু আগামী আমান ও রবি শস্যের আগে এর সুযোগ কম। তবে ৪০ হাজার ক্ষতিগ্রস্ত বোরো চাষিকে এক বছর অপেক্ষায় থাকতে হবে।
এদিকে এপ্রিল থেকে দুই দফা বন্যায় সিলেটের চার জেলায় কৃষিতে অন্তত ১৫০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে বেসরকারি সূত্রে জানা গেছে। সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত ১২০ কোটি টাকার ক্ষতি নিরূপণ করা হয়েছে।
বন্যায় সিলেট অঞ্চলের ৯১ হাজার কৃষক বোরো জমি, আউশ, বাদাম ও সবজি ক্ষেত হারিয়ে নিঃস্ব। এপ্রিলে প্রথম দফা বন্যায় কেবল সুনামগঞ্জ ও সিলেটে ৬ হাজার ৩৪০ হেক্টর জমির ফসল ডুবে যায়। টাকার অঙ্কে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়ায় ৬৭ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।
ক্ষতিগ্রস্ত বোরো চাষিরা প্রথম দফায় কাঁচা ধান পরে দু‘ফায় হাওরের পানিতে ডুবে সারা বছরের খোরাকী হারিয়েছেন। কিন্তু হাওরবাসীরা বলেছেন, ক্ষতির প্রকৃত হিসাব আরও বেশি।


