ইস্তাম্বুলে ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট রোড শো’ অনুষ্ঠিত

ইস্তাম্বুলে ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট রোড শো’ অনুষ্ঠিত

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : বাংলাদেশে তুরস্কের বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সম্প্রতি তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট রোড শো’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), তুরস্কে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, বাংলাদেশ কনস্যুলেট, ইস্তাম্বুল যৌথভাবে এই ‘ইনভেস্টমেন্ট রোড শো’ এর আয়োজন করে।

এফবিসিসিআইয়ের সহায়তায় দেশের শীর্ষস্থানীয় হোম অ্যাপ্লায়েন্সেস এবং কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড এবং এর প্যারেন্ট কোম্পানি তুরস্কের সর্ববৃহৎ কনজ্যুমার ডিউরেবল কোম্পানি আর্চেলিক এই আয়োজনটি স্পন্সর করেছে।

গত ২০ জুন অনুষ্ঠিত এই ইভেন্টে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক তুরস্কের বিনিয়োগকারীর পাশাপাশি বিডা, তুরস্কে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, বাংলাদেশ কনস্যুলেট, এফবিসিসিআই, আর্চেলিক, তুরস্ক এবং সিঙ্গার বাংলাদেশের কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্টজনদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মসয়ূদ মান্নান, এনডিসি; বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মুস্তাফা ওসমান তুরান (ভার্চুয়ালি), বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসীম উদ্দিন, কনসাল জেনারেল মোহাম্মেদ নূরে-আলম, আর্চেলিকের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা জেমিল জান ডিনচার, সিঙ্গার বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম এইচ এম ফাইরোজ এবং তুরস্ক-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিদায়েত অনুর অজডেন।

অনুষ্ঠানে সিঙ্গার বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী এম এইচ এম ফাইরোজ বলেন, ‘আর্চেলিক ও সিঙ্গার বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন প্রক্রিয়ার অংশীদার হতে পেরে আমরা আনন্দিত।’ বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট রোড শোতে বাংলাদেশে তুরস্কের বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী এবং ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদলের কাছে বাংলাদেশের বিনিয়োগের সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন তিনি। এ ছাড়া বাংলাদেশ ও তুরস্কের চলমান ব্যবসায়িক পরিধি বৃদ্ধি করাও ছিল এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।

বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতি এবং বিনিয়োগের সম্ভাব্য সুযোগ সম্পর্কিত মূল নিবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারকর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ ও সংস্কার কর্মসূচির ওপর আলোকপাত করেন।

বাংলাদেশ থেকে অংশগ্রহণকারীরা ইস্তাম্বুলে আর্চেলিকের সর্বাধুনিক ম্যানুফ্যাকচারিং কমপ্লেক্স ও আরঅ্যান্ডডি সেন্টারও পরিদর্শন করেন। তারা আর্চেলিকের টেকসই ও পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *