পাথেয় রিপোর্ট : কওমী মাদরাসা স্বীকৃতি আইনের ধীরগতি রোধ করার আহ্বান জানিয়ে কওমী শিক্ষাসনদ স্বীকৃতি বাস্তবায়ন পরিষদের সদস্য সচিব শাইখুল হাদিস মাওলানা ইয়াহইয়া মাহমুদ বলেন, কওমী মাদরাসার স্বীকৃতির ঘোষণা এসেছে এক বছর হয়ে গেলো। অথচ এখনো এটিকে আইনে পরিণত করার যথাযথ কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।
অবিলম্বে আইনে পরিণত করার আহ্বান জানিয়ে ইয়াহইয়া মাহমুদ বলেন, সরকারিভাবে কওমী মাদরাসার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা যুগান্তকারী। কিছু বেফাকী জটিলতার কারণে দিন দিন কওমী মাদরাসা স্বীকৃতির ধীরগতির অবস্থা তৈরী হয়েছে।
বেফাকসহ হাইআতুল উলইয়ায় কর্মরতদের সমালোচনা করে ইয়াহইয়া মাহমুদ বলেন, বর্ষপূতি সম্পন্ন হলেও তাদের কোনো উদ্যোগ নেই। কাজ নেই। তাদের আসলে কখনো স্বীকৃতির জন্য কোনো টানও ছিল না। মুফতে স্বীকৃতি পাওয়ায় তারা কোনোধরনের গুরুত্ব দিচ্ছে না।
অবিলম্বে সংসদে আইন পাস করে কওমী মাদরাসার সনদের স্বীকৃতির ঘোষণা কোনো আইওয়াস নয় প্রমাণ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সনদের ঘোষণার বর্ষপূর্তিতে অভিনন্দন জানাই। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারর পক্ষেই কওমী স্বীকৃতিকে আইনে পরিণত করা সম্ভব।
একাত্তরের পরাজিত শক্তি কখনোই এই ভালো কাজটি হতে দিতে চায় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, কওমী মাদরাসার উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ জাতির কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর রামপুরায় বাইতুল মারুফ জামে মসজিদ মিলনায়তনে কওমী শিক্ষাসনদ স্বীকৃতি বাস্তবায়ন পরিষদ আয়োজিত পরামর্শসভায় মাওলানা ইয়াহইয়াহ মাহমুদ এসব বলেন।
স্বীকৃতি আদায়ে আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদের প্রাণান্তকর চেষ্টার কথা স্মরণ করে মাওলানা ইয়াহইয়া মাহমুদ বলেন, স্বীকৃতি দিলে একশ্রেণির জামাতি প্রেতাত্মারা শত শত লাশ ফেলে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু আল্লামা মাসঊদের মতো মানবদরদি ও দ্বীনদরদি আলেমগণ স্বীকৃতি আদায়ের জন্য সর্বোত চেষ্টা চালিয়েছিলেন।
আল্লামা মাসঊদসহ সব আলেমদেরকেও অভিনন্দন জানান ইয়াহইয়া মাহমুদ।
মাওলানা রুহুল আমীন খান উজানবির সভাপতিত্বে পরামর্শসভায় বক্তব্য দেন, মাওলানা আসআদ আল হোসাইনী, মাওলানা আবদুর রহীম কাসেমী, মাওলানা আবদুল কাইয়ুম সোবহানী, মুফতি ইবরাহীম শিলাস্থানী, মাওলানা সদরুদ্দীন মাকনুন, মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাইফী, মাওলানা ইমদাদুল্লাহ কাসেমী, মাওলানা হাবিবুল্লাহ গুলজার, মাওলানা হারুনুর রশিদ, মাওলানা লিয়াকত আলী মাসউদ, মাওলানা মাসউদুল কাদির, মাওলানা মাহবুবুর রহমান, মাওলানা আবদুল্লাহ শাকির প্রমুখ।


