প্রবল ঢেউয়ে ভাঙছে কক্সবাজারের লাবনী-সুগন্ধাসহ একাধিক পয়েন্ট

প্রবল ঢেউয়ে ভাঙছে কক্সবাজারের লাবনী-সুগন্ধাসহ একাধিক পয়েন্ট

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : সমুদ্রের প্রবল ঢেউয়ে প্রতিদিনই ভাঙছে কক্সবাজারের জনপ্রিয় পর্যটন সৈকত লাবনী ও সুগন্ধাসহ একাধিক পয়েন্ট। সম্প্রতি অস্বাভাবিক জোয়ারের তাণ্ডবে ভাঙন আরও তীব্র হয়েছে। এতে সৈকত হারাচ্ছে তার চিরচেনা সৌন্দর্য। ঝুঁকির মুখে রয়েছে সৈকতের ছাতা ও ঝিনুক মার্কেট।

ভাঙনকবলিত এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সৈকতের ডায়াবেটিক পয়েন্ট থেকে কলাতলীর ডলফিন মোড় পর্যন্ত সৈকত এলাকায় বড় বড় ঢেউয়ের তোড়ে বালু সরে গেছে। এতে ভাঙন দেখা দিয়েছে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে। এই ভাঙনে ক্ষতবিক্ষত হয়ে সৌন্দর্য হারাচ্ছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। সাগরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বিস্তীর্ণ বালিয়াড়ি, ঝাউগাছ। ভাঙন চলে এসেছে সৈকতের লাবনী পয়েন্টে জেলা প্রশাসন নির্মিত উন্মুক্ত মঞ্চ পর্যন্ত। কিছু কিছু জায়গায় পানি উন্নয়ন বোর্ড বালু ভর্তি জিও টিউব দিয়ে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করেও লাভ হচ্ছে না। ঢেউয়ের আঘাতে লাবণী পয়েন্টের বেশ কয়েকটি জিও ব্যাগ ছিঁড়ে গেছে। ওই এলাকার ট্যুরিস্ট পুলিশের হেল্প ডেস্কও তলিয়ে যাওয়ার পথে।

এ পরিস্থিতিতে শুক্রবার (১২ আগস্ট) দুপুরে সৈকতের ভাঙন পরিদর্শন করেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার।

পরিদর্শনে গিয়ে সচিব বলেন, “সাগরের ভাঙনরোধে তাৎক্ষণিক বালিভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে অস্থায়ীভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এখানে অনেক উঁচু বাঁধ দরকার। ইতোমধ্যে আমরা একনেকে ৩,১৪০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প জমা দিয়েছি। নাজিরারটেক থেকে মেরিন ড্রাইভ পর্যন্ত স্থায়ী রক্ষা বাঁধ হবে। তখন হয়ত সাগরের ভাঙন থেকে রক্ষা পাবে কক্সবাজার।”

এর আগে সকালে কবির বিন আনোয়ার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সৈকতের কবিতা চত্বর, ডায়াবেটিক পয়েন্ট, লাবনী ও সুগন্ধা এলাকা পরিদর্শন করেন।

এ সময় কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু সুফিয়ান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. তানজির সাইফ আহমেদ, স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতা কাশেম আলীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *