পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : সাম্প্রতিক দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় বঙ্গোপসাগরে ডুবেছে ১৬টি মাছ ধরার ট্রলার। এসব ট্রলারডুবির ঘটনায় পটুয়াখালীর ২৫০ জনেরও বেশি জেলে নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে নৌ পুলিশ।
রবিবার (২১ আগস্ট) কুয়াকাটা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার মোর্শেদ জানান, শুক্রবারের প্রতিকূল আবহাওয়ায় পটুয়াখালীর কুয়াকাটার কাছে বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া ১৮টি ট্রলারের প্রায় ১৫০ জেলেকে এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, শনিবার সন্ধ্যা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির উদ্ধারকারী ট্রলারসহ স্থানীয়রা এসব জেলেকে নিয়ে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে পৌঁছায়। নিখোঁজ জেলে ও ট্রলার উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
কুয়াকাটা-আলীপুর মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির সভাপতি আনসার উদ্দিন মোল্লা জানান, বঙ্গোপসাগরে ভাসমান অবস্থায় ১৩ জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং ১১ জেলেকে ভারতের রায়দিঘির জেলেরা উদ্ধার করেছে। তারা বর্তমানে ভারতের সাউথ সুন্দরবন ফিসারম্যান অ্যান্ড ফিস ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের হেফাজতে রয়েছে।
তিনি আরও জানান, আমাদের মালিক সমিতির ট্রলার ও স্থানীয় জেলেরা বাকি জেলেদের উদ্ধার করেছে। তবে এখনও কমপক্ষে ১২৬ জেলেসহ ৭টি ট্রলার নিখোঁজ রয়েছে। এছাড়া, ডুবে যাওয়া ও নিখোঁজ ট্রলারের সব মালিকদের বাড়ি আলীপুরে।
মহিপুর আড়ৎ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ রাজা জানান, অন্তত ১৩০ জন জেলেসহ মহিপুরের আড়তগুলোয় মাছ দেওয়া ৯টি ট্রলার ডুবে গিয়ে এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছে। এছাড়া, গভীর সাগর থেকে তীরে ফেরার পথে একটি ট্রলার থেকে রফিক (৩২) নামের এক জেলে বঙ্গোপসাগরে পড়ে গিয়ে এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন। ডুবে যাওয়া ও নিখোঁজ ট্রলারের মালিকরা বাড়ি মহিপুর, কলাপাড়া, রাঙ্গাবালী ও ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার বাসিন্দা।


