পাথেয় রিপোর্ট : মুসলমানরা চিরদিনই জ্ঞানার্জনের প্রতি অসীম গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। পৃথিবীর যত ধর্ম, দর্শন ও সভ্যতা আছে, তার মধ্যে ইসলামই সবচেয়ে বেশি জ্ঞানচর্চার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছে।
নশ্বর এই পৃথিবীতে যুগে যুগে যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম ও সর্বোত্তম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে কওমী মাদরাসা। আর কওমী মাদ্রাসার প্রাণ কেন্দ্র হচ্ছে ‘দারুল উলুম দেওবন্দ।’
জামিআ ইকরা বাংলাদেশ মেধাবী ছাত্র মুফতী আব্দুল্লাহ আল মামুন দারুল উলুম দেওবন্দে দাওরায়ে হাদিসের বার্ষিক পরীক্ষা শেষ করে মঙ্গলবার বাংলাদেশ ফিরে এসেছেন। বুধবার তিনি বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারি ও ইকরা বাংলাদেশের প্রিন্সিপাল মাওলানা সদরুদ্দীন মাকনুনর সঙ্গে রাজধানীর খিলগাঁও পাথেয় অফিসে সাক্ষাৎ করতে আসেন। আলেম মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম ফোরামের প্রসিডেন্টের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি জানতে চান, তুমি মাদারে ইলম দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে কি শিক্ষা নিয়ে এসেছো?

মুফতী আব্দুল্লাহ আল মামুন : জনাব, এতো দিন আমি আমাকে চিনতাম না, কিন্তু দারুল উলুম দেওবন্দ আমার পরিচয় আমার কাছে স্পষ্ট করে দিয়েছে। দারুল উলুম দেওবন্দ আমাকে ইলমের পাশাপাশি শিক্ষা দিয়েছে, কিভাবে ন্যায়-নিষ্ঠা, তাকওয়া, আমানতদারী, দ্বীনদারী, খোদাভীতি, সুন্নাতের অনুকরণ, খোদাপ্রেম, রাসূলপ্রেম, আল্লাহর রাহে সর্বস্ব বিলীন করে দিতে হয়। দারুল উলুম দেওবন্দ মানুষ গড়ার কারিগর।
সদরুদ্দীন মাকনুন : হ্যাঁ, সত্যিই দারুল উলুম দেওবন্দ হচ্ছে, আমাদের শিকড়। আকাবিরদের চোখের পানি আর কলজের খুনে সিক্ত প্রতিষ্ঠান। সারাজীবন দেওবন্দ ও দেওবন্দিয়তের আদর্শ, চিন্তাধারার উপর জীবন পরিচালন করা চেষ্টা করবে।


