পাথেয় রিপোর্ট : আলেম উলামা ও সাধারণ মানুষের পথচলা একই সামিয়ানায় হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার মহাসচিব মাওলানা আবদুর রহীম কাসেমী। তিনি বলেন, রাসূল সা. বলেছেন, রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দের সময় রয়েছে – ১. ইফতারের সময়। ২. মহান আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতের সময়।
তিনি আরও বলেন, রমজানুল মোবারাকের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট হচ্ছে জোড়মিল পয়দা করা। ইফতারের এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা যে মিশন নিয়ে ময়দানে কাজ করছে সেটাকেই বিকশিত করা আজকের এই অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য। অর্থাৎ মুসলমানদের মধ্যে জোড়মিল পয়দা করাই হচ্ছে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার মিশন।
১৯ মে শনিবার বিকালে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা কদমতলী থানা আয়োজিত রাজধানীর যাত্রাবাড়ির মুহাম্মদবাগ-রায়েরবাগের আল কারীম তালিমুল কুরআন মাদরাসা মিলনায়তনে ইফতার মাহফিলে মাওলানা আবদুর রহীম কাসেমী এসব কথা বলেন।
স্বাগত আলোচনায় মাওলানা শোয়াইব আহমদ বলেন, বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার লক্ষ্য হচ্ছে কীভাবে মানুষের ঈমানকে রক্ষা করা যায় সেই চিন্তা করা। জনসাধারণকে হক্কানী উলামায়ে কেরামের সঙ্গে জুড়ে দেয়া।
অনুষ্ঠানের সভাপতি মাওলানা ইহতেশামুল হক বলেন, সর্বযুগেই উম্মতের কল্যাণের জন্যে উলামায়ে কেরামের অবদান ছিল অনিস্বীকার্য। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে উপমহাদেশের উলামায়ে কেরাম অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি। উলামায়ে কেরাম যদি বৃটিশদের বিরুদ্ধে প্রথম আন্দোলনের ডাক না দিতেন, তাহলে আজও এই ভূখণ্ড স্বাধীন হত না।

হবিগঞ্জ ইকরা বাংলাদেশর প্রিন্সিপাল ও বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মাওলানা মাসউদুল কাদির বলেন, সিয়ামসাধনার মাধ্যমে আমাদের হৃদয়কে সারা বছরের জন্য সংযমী করে গড়ে তুলতে হবে।
গ্রন্থনা : আদিল মাহমুদ সম্পাদনা : মাসউদুল কাদির


