বিতর্কিত পাঠ্যক্রম বাতিলসহ খেলাফত মজলিসের ৮ দফা দাবি

বিতর্কিত পাঠ্যক্রম বাতিলসহ খেলাফত মজলিসের ৮ দফা দাবি

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ‘সমতা সৃষ্টির নামে সাধারণ পাঠ্যবইয়ের মাধ্যমে মাদ্রাসায় ইসলামি শিক্ষার পরিবেশ কোনোক্রমেই ক্ষুণ্ন করতে দেওয়া যাবে না। শিক্ষার সর্বস্তরে ধর্ম শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করতে হবে।’

শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বর্তমান আর্থসামাজিক, শিক্ষা ও রাজনৈতিক সংকট নিরসনের লক্ষ্যে নিজেদের ৮ দফা দাবি নিয়ে সমাবেশ আয়োজনে খেলাফত মজলিসে নেতারা এসব কথা বলেন।

বক্তারা বলেন, বর্তমান শিক্ষানীতির আলোকে প্রণীত স্কুল-মাদ্রাসার পাঠ্যপুস্তক থেকে ইসলামি চিন্তা-বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক যাবতীয় বিষয় বাদ দিতে হবে। সমতা সৃষ্টির নামে সাধারণ পাঠ্যবইয়ের মাধ্যমে মাদ্রাসায় ইসলামি শিক্ষার ও পরিবেশ কোনোক্রমেই ক্ষুণ্ন করতে দেওয়া যাবে না।

এ সময় তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, নির্বাচনের নিরাপত্তা, নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ব্যবহার বন্ধ করা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়েও কথা বলেন।

তারা বলেন, রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে নির্বাচনের তিন মাস আগে জাতীয় সংসদ ভেঙে দিয়ে দলনিরেপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে। নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পেশিশক্তি ও অর্থশক্তি মুক্ত নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে। তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে এনে জনদুর্ভোগ লাঘব করতে হবে।

সমাবেশে তারা দাবিগুলো তুলে ধরেন। তাদের দাবিগুলো হলো, ধর্মীয় শিক্ষা সংকোচন নীতি বন্ধ ও বিতর্কিত পাঠক্রম বাতিল; দলনিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনব্যবস্থা করা; নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার বন্ধ রাখা; গ্রেফতার করা আলেম উলামা ও রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহার করা; রাজনৈতিক সভা-সমাবেশের অবাধ সুযোগ নিশ্চিত করা; দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বগতি কমিয়ে জনদুর্ভোগ লাঘব ও দুর্নীতি নির্মূল করা; বেকার সমস্যা সমাধান ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেওয়া।

খেলাফত মসলিস ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হকের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন দলটির নায়েবে আমির হজরত মাওলানা আহমদ আলী কাশেম, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আব্দুল জলিল, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম প্রমুখ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *