পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : আসন্ন ঈদ-উল-আজহাকে সামনে রেখে দেশে ১২.৫ মিলিয়ন গবাদিপশুর মজুদ রয়েছে। পরিমাণে পর্যাপ্ত হলেও এ বছর গবাদিপশুর দাম ১০% বাড়তে পারে।
শনিবার (১১ জুন) ঢাকার মোহাম্মদপুর-বেড়িবাধে গরুর খামার পরিদর্শনকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব ডা. নাহিদ রশিদ এ কথা বলেন।
এদিন স্থানীয় বিভিন্ন খামার পরিদর্শন শেষে সাদিক এগ্রো লিমিটেড পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
সচিব বলেন, “২০২২ সালে ১২.১ মিলিয়ন গবাদিপশু ছিল। তবে এ বছর স্থানীয় কৃষক ও খামারে কোরবানির জন্য উপযুক্ত প্রায় ১২.৫ মিলিয়ন পশু রয়েছে।”
এজন্য এ বছর কোনো পশু আমদানি করতে হবে না বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, “স্থানীয় খামারিদের রক্ষা করার জন্য; আমরা সীমান্ত এলাকায় গবাদি পশু পাচারের বিরুদ্ধে নজরদারি বাড়িয়েছি।”
ঈদের আগে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কৃষক ও ক্রেতাদের হয়রানির বিষয়ে ডা. রশিদ বলেন, “জাতীয় জরুরি পরিষেবা হটলাইন নম্বর-৯৯৯ সক্রিয় থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, “কোনো অসঙ্গতির রিপোর্ট করার জন্য একটি হটলাইন নম্বর রয়েছে, আমরা ১৪ জুন নির্ধারিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এটি চূড়ান্ত করব।”
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. এমদাদুল হক তালুকদার জানান, ইতোমধ্যে তারা পশুখাদ্যের দাম কিছুটা কমাতে পেরেছেন।
তিনি বলেন, “খামার থেকে কেনা পশুর আনা-নেওয়া ঝামেলামুক্ত করতে বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিডিএফএ) আবেদন করেছে। এটির জন্য প্রয়োজনে মন্ত্রণালয় একটি গেজেট জারি করবে।”
বিডিএফএ সভাপতি ইমরান হোসেন বলেন, “এক বছরে খাদ্যের দাম ৬০%-এর বেশি বৃদ্ধির মধ্যে পশুর দাম ১০-১২% বাড়তে পারে।”
“মানুষ খামার থেকে কোনো ঝামেলা ছাড়াই যাতে পশু কিনতে পারে, সেজন্য আমরা সরকারের কাছ থেকে আশ্বাস চাই,” তিনি যোগ করেন।
সাদিক এগ্রোর মালিক হোসেন জানান, এ বছর তিনি ১,৯০০ গরু-মহিষ এবং ৬০০টি ছাগল-ভেড়া বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছেন।
তিনি বলেন, “যারা ৪০০ কেজির কম ওজনের পশু কিনবেন তারা ৫০০ টাকা কেজিতে কিনতে পারবেন ও ডেলিভারি বিনামূল্যে হবে।”


