ইকরা মসজিদে কিয়ামুল লাইল পড়াবেন আরীফ উদ্দীন মারুফ ও হাফেজ বান্না

ইকরা মসজিদে কিয়ামুল লাইল পড়াবেন আরীফ উদ্দীন মারুফ ও হাফেজ বান্না

পাথেয় রিপোর্ট : প্রতিবছরের মতোই এবারও রমজানের শেষ দশকে শুরু হচ্ছে রাতের শেষ ভাগে কিয়ামুল লাইল। বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান ও ঐতিহাসিক শোলাকিয়ার গ্র্যান্ড ইমাম, ফিদায়ে মিল্লাত হযরত আসআদ মাদানী রহ.-এর সুযোগ্য খলিফা শাইখুল হাদিস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদকে কেন্দ্র করে ইতেকাফরত শতশত আলেম উলামার উপস্থিতিতে এবারও শুরু হচ্ছে এই কিয়ামুল লাইল। পাথেয় টোয়েন্টিফোরডটকম’কে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার মহাসচিব মাওলানা আব্দুর রহিম কাসেমী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

৬ জুন, বুধবার থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত কিয়ামুল লাইল নামাজ আদায় করা হবে।

কিয়ামুল লাইলে ইমামতি করেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলেম, সার্কিট হাউস মসজিদের খতিব, জমিয়া ইকরা বাংলাদেশের রইস মাওলানা আরীফ উদ্দীন মারুফ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক, জামিআ ইকরা বাংলাদেশের মুহাদ্দিস মাওলানা হুসাইনুল বান্না।

এ সম্পর্কে জানতে চাইলে মাওলানা আরীফ উদ্দীন মারুফ বলেন, কিয়ামুল লাইল খোদা প্রেমীদের জন্য ইবাদতের এক মহোত্তম সুযোগ। এভাবে মধ্যরাত থেকে শেষরাত অবধি দীর্ঘ সময় ইবাদাতে কাটানো আল্লাহর রহমত ছাড়া আর কিছুই না। এ সময় মসজিদে এক অন্যরকম পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বান্দা আর তার রবের মাঝে এক বিশেষ নিবিড় সম্পর্ক গড়ে ওঠে তখন। অনেক আলেম উলামার সমাগম ঘটে আমাদের ঝিল মসজিদে। নামাজে কান্নার রোল পড়ে যায় বেশীরভাগ সময়ই। সর্বোপরি পবিত্র রমজানে কিয়ামুল লাইলের এ বিশেষ আমল ইবাদাতের স্বাদে এক নতুন মাত্রাই যোগ করে বলা চলে।

মাওলানা হুসাইনুল বান্না বলেন, মূলতঃ ২০ রমজান দিবাগত রাত থেকে ২৯ রমজান দিবাগত রাত পর্যন্ত এই আমাদের এখানে নামাজ আদায় করা হয়। নয় দিনব্যাপী এই নামাজে ১ম তিনদিন ৪ পারা আর বাকী ৫ দিন ১৮ পারা তেলাওয়াতের মাধ্যমে পবিত্র কোরআনের এক খতম সম্পন্ন করা হবে। প্রত্যেহ রাত ১২টা থেকে রাত ৩টার মধ্যে কিয়ামুল লাইলের নামাজ আদায় করা এবং সম্মিলিত দোআ করা হবে। এরপর সবাই একসাথে সাহরি খেয়ে পরবর্তী দিনের রোজার প্রস্ততি গ্রহণ করে।

ঝিল মসজিদের তারাবীহ ইমাম ইকরা বাংলাদেশের প্রিন্সিপাল মাওলানা সদরুদ্দীন মাকনুন জানান, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসউদের সঙ্গে পবিত্র কিয়ামুল লাইল এবং ইতিকাফে অংশগ্রহণের অপেক্ষায় আছেন নিয়মিত মুসল্লিরা। শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত শতশত মুসল্লিরা যোগাযোগ রাখছেন নিয়মিত।

হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজান মাসে কিয়ামুল লাইল বা রাত্রিকালীন এই নামাজকে অত্যধিক গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি অন্য যেকোনো মাসের তুলনায় এ মাসে বেশি কিয়ামুল লাইল করেছেন। কিয়ামুল লাইলের বিনিময়ে গুণাহ মাফের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।

গ্রন্থনা : কাউসার মাহমুদ
সম্পাদনা : মাসউদুল কাদির

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *