নিজস্ব প্রতিবেদক : ট্রেনের অগ্রিম টিকিট সংগ্রহের যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর এবার বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। রোববার সকাল থেকে কমলাপুর রেলস্টেশনে বাড়ি ফেরার ভিড় জমতে দেখা যায়। জানা যায়, ১ জুন যারা ঈদের অগ্রিম টিকিট কিনেছিলেন, তারাই বাড়ির পথে যাত্রা শুরু করেছেন।
স্টেশন সূত্র জানিয়েছে, রোববার কমলাপুর স্টেশন থেকে ৬৩টি ট্রেন ছেড়ে যায়। এরমধ্যে ২৮টি আন্তঃনগর। বাকিগুলো মেইল, এক্সপ্রেস এবং লোকাল ট্রেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে কিশোরগঞ্জ যাওয়ার জন্য কমলাপুর স্টেশনে এসেছেন একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা রাজিব হায়দার। তিনি বলেন, ঈদের আগমুহূর্তে ব্যাপক ঝামেলা থাকে। তাই গত ১ জুন অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করেছি। রোববার বাড়ি ফিরতে যাত্রা শুরু করেছি।
জামালপুরগামী অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনে পরিবারের সদস্যদের তুলে দিতে কমলাপুর এসেছেন একটি ডেইরি ফার্মের কর্মকর্তা মিঠু। তিনি বলেন, অনেক ভিড়। দুর্ভোগ এড়াতেই পরিবারকে আগে পাঠিয়ে দিচ্ছি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রোববার বেলা ১২টা পর্যন্ত ৩০টির মতো ট্রেন কমলাপুর স্টেশন ছেড়ে গেছে।
স্টেশন ম্যানেজার সিতাংশু চক্রবর্ত্তী সাংবাদিকদের বলেন, রোববার সকাল থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলো তো স্বাভাবিক ভিড় ছিলো।
তিনি আরও বলেন, এখনও উপচেপড়া ভিড় শুরু হয়নি। ১২ জুন থেকে ভিড় বাড়বে। এছাড়া সকালে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলোর মধ্যে শুধু সুন্দরবন এক্সপ্রেস ৩০ মিনিট দেরি করেছে। সেটা দেরি করেই স্টেশনে এসেছিল। বাকি ট্রেনগুলো সব ঠিক সময়ে ছেড়েছে। অগ্রিম টিকিট ছাড়াও দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিটও বিক্রি করা হবে।
এবার ঈদের সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলো প্রতিদিন প্রায় লাখেরও বেশি যাত্রী বহন করতে পারবে বলেও জানান সিতাংশু চক্রবর্ত্তী।
তিনি জানান, অগ্রিম টিকিটসহ সব মিলিয়ে ৭৫ হাজারের মতো টিকিট দেওয়া হয়েছে। ঈদের আগে যাত্রীদের চাহিদা অনুযায়ী কিছু স্ট্যান্ডিং টিকেটও দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে প্রায় এক লাখ যাত্রী যেতে পারবে প্রতিদিন।
_______________
patheo24/105


