ক্রীড়া ডেস্ক : দুই দশক আগে প্রথম এবং শেষবারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলতে মাঠে নেমেছিল ক্রোয়েশিয়া। নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে ১৯৯৮ ফ্রান্স বিশ্বকাপে শেষ চারে পৌঁছানোটাই এখন পর্যন্ত তাদের সেরা সাফল্য। এরপর মোট আরও ৩টি বিশ্বকাপে খেলতে আসলেও কোনবারেই পেরোনো হয়নি গ্রুপ পর্বের গন্ডি।
এমনকি ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে তো সুযোগই মেলেনি ক্রোয়াটদের। তবে বলা হচ্ছে, নিজেদের ফুটবল ইতিহাসের সেরা দল নিয়েই এবার রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলতে এসেছে ক্রোয়েশিয়ানরা। তাই এটাই হয়তো তাদের জন্য সেরা সময়, বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফিটি প্রথমবারের মতো উঁচু করে ধরার।
ক্রোয়েশিয়ান তারকা স্ট্রাইকার মারিও মানজুকিচের কণ্ঠেও একই সুর। তার মতে, ঠিক এ রকম সুযোগের অপেক্ষাই দীর্ঘদিন ধরে করে আসছিল ক্রোয়েশিয়া। সুতরাং, এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে চান জুভেন্টাসের হয়ে খেলা এই স্ট্রাইকার।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে মাঠে নামার আগে লুঝনিকি স্টেডিয়ামের সামনে প্রস্তুতি ক্যাম্পে অনুশীলনে ব্যস্ত পুরো ক্রোয়েশিয়া দল। মাঠেই সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন মারিও মানজুকিচ। সেমিফাইনাল পর্যন্ত উঠে আসা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ দিন ধরে অপেক্ষা করছিলাম জাতীয় দলের জার্সি গায়ে এরকম কিছু করে দেখানোর জন্য। এখন আমরা বিশ্বকাপের ফাইনালের বেশ কাছেই দাঁড়িয়ে আছি।’
তবে শেষ ষোলোর ম্যাচে ডেনমার্ক আর কোয়ার্টার ফাইনালে স্বাগতিক রাশিয়া দু’দলের বিপক্ষেই টাইব্রেকারে নির্ধারিত হয়েছে ক্রোয়েশিয়ার ভাগ্য। টানা দুটো ম্যাচেই লম্বা সময় ধরে মাঠে লড়াই করে দলের খেলোয়াড়েরা ক্লান্ত কি না এমন প্রশ্নের জবাবে সুপার মারিও বলেন, ‘এখানে ক্লান্তি বলতে এখন আর কোন কথা নেই। যদিও ডেনমার্ক আর স্বাগতিক রাশিয়ার বিরুদ্ধে আমাদের মাঠে পুরো ১২০ মিনিটই লড়াই করতে হয়েছে। তবুও আমরা তৈরি, পরের ম্যাচের জন্য। আমরা সেমিফাইনালে লড়তে যাচ্ছি। আর এ থেকে কেউ আমাদের থামাতে পারবে না।’


