নিজস্ব প্রতিনিধি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ধৈর্যের বাঁধ ভাঙবেন না। নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি এ কথা বলেছেন। “আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নিরাপত্তা বাহিনী ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছে। তার মানে এই নয় যে, তারা অরাজকতা করতেই থাকবেন, আর আমরা সেই দৃশ্য দেখতেই থাকব। মোটেই না, আমাদেরও ধৈর্যের সীমা রয়েছে। সেটা অতিক্রম করলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
রবিবার গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট দেশব্যাপী ট্রাফিক সপ্তাহ উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় সাংবাদিকের এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আছাদ্জ্জুামান মিয়া বলেন, “পুলিশ আইন প্রয়োগে কঠোর হবে। তবে ব্যবহারে নমনীয় থাকবে।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমি আগেও বলেছি। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনকে অন্য দিকে নেওয়ার প্রচেষ্টা হচ্ছে। আপনারা দেখেছেন হাজার হাজার আইডি কার্ড গলায় ঝুলানো হয়েছে। একটাও স্কুলের ছাত্র নয়, সব প্রাপ্তবয়ষ্ক।”
শিক্ষার্থীদের ঘরে ফেরার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “তাদের দাবি অপূর্ণ নেই। নয়টি দাবির দুটি দাবি, যেমন আইনের কথা বলেছে সেটার সময় লাগবে, আগামীকাল সেটা কেবিনেটে উঠছে। কাজেই আপনাদের মাধ্যমে বলব, তারা যেন রাস্তা থেকে ফিরে যায়।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ট্রাফিক সপ্তাহ সম্পর্কে পুলিশের মহাপরিদর্শক মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, “আমাদের ট্রাফিক আইনটি মানার জন্য বাধ্য করতে হয় এখানে। আইন তো হয় মানার জন্য, বাধ্য করার জন্য নয়।” নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী সড়কে নেমে গাড়িও চালকের লাইসেন্স পরীক্ষা শুরুর পর এই ট্রাফিক সপ্তাহ পালনের ঘোষণা আসে।
তিনি বলেন, মোবাইল ফোন প্রত্যেকটা মানুষের হাতে আমরা পৌঁছে দিয়েছি। আজকে হাতে হাতে মানুষের মোবাইল ফোন। সব ধরনের ইন্টারনেট আমরা দিয়ে দিচ্ছি। ঘরে বসে আজকে ছেলে-মেয়েদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হচ্ছে।
রাস্তায় চলাচলে ট্রাফিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্কুল থেকেই ট্রাফিক রুল শেখাতে হবে। স্কুলের সামনেই ট্রাফিক থাকবে, জেব্রা ক্রসিং থাকবে, যেখানে আন্ডার পাস প্রয়োজন তার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছি।


