পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : অবশেষে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে ‘জেলা ইজতেমা’ শুরু হয়েছে। তাবলীগের চলমান সংকট ও অারো কিছু সমস্যার কারণে প্রশাসনের বাঁধার মুখে ছিল তিন দিনব্যাপী এ ‘জেলা ইজতেমা’। অনুমতি না থাকায় ইজতেমা বন্ধে প্রশাসনের নির্দেশ থাকলেও অবশেষে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় হেদায়েতি বয়ান, ধর্মীয় আলোচনা ও ইবাদতের মধ্য দিয়ে শুরু হল তিন দিনব্যাপী এ ‘জেলা ইজতেমা’ ।
১৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই প্রথমদিনের ইজতেমা শুরু হয়। কোনওরকম সমস্যা বা ঝামেলা হয়নি বলেও সূত্রে জানা যায়।
রাঙ্গাবালী উপজেলার এ ইজতেমায় বয়ান করেন তাবলিগের শুরা সদস্য মাওলানা মোশরেফ হোসেন ও মাওলানা আশরাফ আলী।
ইজতেমা আয়োজকরা জানান, পূর্বনির্ধারিত ঘোষণা অনুযায়ী এতে জেলার ৮টি উপজেলাসহ দেশ-বিদেশি প্রায় ২০ হাজার মুসল্লি ও সাথী অংশ নেয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের চরইমারশন এলাকার আগুনমুখা নদীর তীরে প্রথম দিন ‘পটুয়াখালী জেলা ইজতেমা’ শুরু হয়।
এর আগে অবশ্য প্রশাসনের কাছে আবেদন করেও অনুমতি পায়নি আয়োজকরা। তাই বুধবার দুপুরে ময়দানে গিয়ে ইজতেমার আয়োজন বন্ধের জন্য মৌখিকভাবে নির্দেশ দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহাগ হাওলাদার ও রাঙ্গাবালী থানার ওসি মিলন কৃষ্ণ মিত্র। তবুও অনেক জল্পনা-কল্পনার পর তিন দিনব্যাপী এ ইজতেমা শুরু হয়। আল্লাহর রহমতে এখানের পরিবেশ সম্পূর্ণ শান্ত। সবাই তাবলীগের আমল ও দ্বীনি কাজেই নিমগ্ন আছে। আশাকরি অপ্রীতিকর কোনও ঘটনা এখানে ঘটবে না। প্রশাসনের উদ্বিগ্ন হবার কোনও কারণ নেই। তাবলীগের সাথিরা দ্বীনের মেহনতের জন্যই এখানে জড়ো হয়েছে।
এ বিষয়ে ইজতেমা আয়োজনের দায়িত্বে নিয়োজিত আমির মো. ফয়সাল হোসাইন বলেন, ‘ইজতেমা বন্ধের কথা শুনে অনেক মানুষ আসেননি। এই বাঁধাটা না আসলে আরো অনেক মানুষ ও তাবলীগের সাথিরা আসতো বলে মন্তব্য করেন আমির মো. ফয়সাল।
তিনি বলেন, তবে অাজকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ইজতেমা শুরু হয়েছে, শুনে ট্রলার ও লঞ্চযোগে লোকজন আসতে শুরু করেছে। আশা করি, শেষ দিন পর্যন্ত অর্ধলক্ষ মানুষের সমাগম ঘটবে এখানে। আখেরি মোনাজাতে আরও লোক হবে।’
অনুমতি না থাকায় ইজতেমা বন্ধে প্রশাসনের নির্দেশ থাকলেও অবশেষে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় হেদায়েতি বয়ান, ধর্মীয় আলোচনা ও ইবাদতের মধ্য দিয়ে শুরু হল তিন দিনব্যাপী এ ‘জেলা ইজতেমা’ ।


