ফিলিস্তিনি গ্রাম ‘খান আল আহমার’ ধ্বংস করা হবেই : নেতানিয়াহু

ফিলিস্তিনি গ্রাম ‘খান আল আহমার’ ধ্বংস করা হবেই : নেতানিয়াহু

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ফিলিস্তিনীদের উপর বর্বর ইহুদিবাদী ইসরাইলের রক্তচক্ষু দিনদিন ভয়ংকর থেকে ভয়ংকর উঠে উঠছে। তাদের হিংস্রতার স্বীকার হয়ে একদম নুজ্ব্য হয়ে পড়েছে অত্যাচারিত ফিলিস্তিনীরা। ধীরে ধীরে ফিলিস্তিনীদের রক্ত চুষে নেয়ার জঘন্য সব পায়তারা করে একেরপর এক তা বাস্তবায়ন করছে তাদের সরকার। ফিলিস্তিনের ইঞ্চি ইঞ্চি মাটি কেড়ে নিয়ে এখানকার প্রকৃত বাসিন্দাদের তারা মেরে ফেলতে চায়। ফিলিস্তিনীদের নিঃশ্বেস করার যতরকম ফন্দি আছে সবই প্রয়োগ করছে ইহুদিবাদীরা। নিত্যই ইসরাইলি সৈন্যদের বুলেটে ঝাজরা হচ্ছে ফিলিস্তিনীদির বুক। পাখির মত গুলি করে তারা হত্যা করে একেকটা প্রাণকে। ফিলিস্তীনিদের সবকিছু কেড়ে নিয়ে তাদের ধ্বংস করার মতলবই এটেছে ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ।

সম্প্রতি ফিলিস্তিনীদের পবিত্র ভূমি বায়তুল মুকাদ্দাস বা জেরুজালেমের পূর্ব অংশের ‘খান আল আহমার’ গ্রাম পুরোপুরি ধ্বংস ধরে দেওয়া হবে বলে ঘোষনা দিয়েছেন  ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি ।

দখলদার ইসরাইলের উচ্চ আদালত এর আগেই গ্রামটি নিশ্চিহ্ন করে সেখানে ইহুদিবাদীদের জন্য উপশহর নির্মাণের নির্দেশ জারি করে রেখেছে। এ বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন ‘খান আল আহমার’ গ্রাম ধ্বংসের বিষয়ে তাদের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসে নি।

তার এমন জঘন্য সিদ্ধান্তর সমােলাচনা করেছে সবাই। শুরু থেকেই সারা বিশ্বসহ খোদ ফিলিস্তিনীদের পবিত্র ভূমি বায়তুল মুকাদ্দাস নিয়ে তার সমস্ত কার্যক্রম সকলের কাছেই সমালোচিত। তাই ফিলিস্তিন ইস্যুতে সারা বিশ্বের গণমাধ্যমের সাহায্য চেয়েছে ফিলিস্তিনের নির্যাতিত আপামর জনগণ। দখলদার বর্বর ইসরাইলিদের বিরুদ্ধে তাদের সাহায্য চেয়েছে তারা। একটি সূত্রে এ খবর প্রকাশিত হয়েছে বলে জানা যায়।

ইতিমধ্যেই  খান আল আহমারে যাওয়ার সব রাস্তা ইহুদিবাদীরা বন্ধ করে দিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।  জায়গায় জায়গায় মোতায়েন করা হয়েছে ইসরাইলি সৈন্য। এই গ্রামে এখন যারা বাস করছেন তারা যাযাবর শ্রেণীর। ১৯৫৩ সালে এই বাসিন্দাদের তাদের নিজ ভূমি নাকাব মরুভূমি থেকে বিতাড়িত করে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। খান আল আহমারে বসতি গড়ার আগে তাদের অন্তত দুইবার নিজেদের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়। গ্রামটি ধ্বংস করার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে পশ্চিম তীর দুইভাগে ভাগ করে ফেলতে সক্ষম হবে বর্ণবাদী ইসরাইল।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *