পাথেয় রিপোর্ট : নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা করতে আগ্রহী নয় মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা করতে তফসিল এক মাস পেছানোর দাবি অন্তত জরুরি। ভোট গ্রহণের যে তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে, সে সময় বড়দিনের ছুটি থাকবে। বিদেশি পর্যবেক্ষকদের এখানে আসার সুযোগ থাকবে না। তাই বলি- নির্বাচন ‘কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা করতে আগ্রহী নয়।’
১৩ নভেম্বর মঙ্গলবার বেলা এগারোটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার জন্য যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন, তা করতে ব্যর্থ হয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে তফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু তা করা হয়নি। এতে তাঁরা অত্যন্ত হতাশ।
মঙ্গলবার বেলা এগারোটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মির্জা ফখরুল, ড. কামাল হোসেন, মোস্তফা মহসিন মন্টু, সুলতান মোহাম্মদ মনসুর, সুব্রত চৌধুরী প্রমুখ।
মির্জা ফখরুলের ভাষ্য, নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা করতে আগ্রহী নয়। তফসিল এক মাস পেছানোর দাবি অন্তত জরুরি। ভোট গ্রহণের যে তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে, সে সময় বড়দিনের ছুটি থাকবে। বিদেশি পর্যবেক্ষকদের এখানে আসার সুযোগ থাকবে না। এগুলোসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলতে আগামীকাল বুধবার দুপুর ১২টায় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল নির্বাচন কমিশনে যাবে। নির্বাচন কমিশন কোনো একটা সিদ্ধান্তে আসবে বলে আশা মির্জা ফখরুলের।
এদিকে ঐক্য নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সোমবার বিকেলে নাজিমউদ্দিন রোডের পুরোনো কারাগারে খালেদা জিয়ার সঙ্গে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের পাঁচজন নেতা দেখা করতে গেলে তিনি এই আহ্বান জানান। সাক্ষাৎ শেষে খালেদা জিয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, জনগণের জন্য যে ঐক্য করা হয়েছে, তা নিয়ে এগিয়ে যেতে বলেছেন তিনি। খালেদা জিয়া সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া পাঁচ নেতা হলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমির উদ্দিন সরকার ও মির্জা আব্বাস।


