ভোট পেছানোর আর কোনো সুযোগ নেই : সিইসি

ভোট পেছানোর আর কোনো সুযোগ নেই : সিইসি

পাথেয় রিপোর্ট : একাদশ জাতীয় নির্বাচনের ভোটের তারিখ পেছানোর আর কোনো সুযোগ নেই মন্তব্য করে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, সব দলের দাবির প্রেক্ষিতে নির্বাচনের তারিখ এক সপ্তাহ পিছিয়ে ৩০ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর আর পেছানোর কোনো সুযোগ নেই।

কে এম নূরুল হুদা বলেন, নানা দিক বিবেচনা করে নির্বাচন পেছানোর আর কোনো সুযোগ নাই। সংসদ ও সরকার বহাল থেকে এবার নির্বাচন হওয়ায় অন্যবারের থেকে এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। কখনও তত্ত্বাবধায়ক সরকার, কখনও সেনাবাহিনী এবং একক দলের নির্বাচন হয়। তাই এবার ভোটে রাজনৈতিক চাপ বেশি।

১৩ নভেম্বর মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ব্রিফিং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা একথা বলেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের উদ্দেশে কেএম নূরুল হুদা বলেন, এবার নতুন আইনে এবং ভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নির্বাচন হবে। তাই জাতি রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দিকে তাকিয়ে আছে। এছাড়া মন্ত্রী, এমপি ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের থেকে চাপ আসলে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, দায়িত্ব পালনে কোনো চাপের কাছে মাথা নত করবেন না। কমিশনের আইন ও নীতিমালা অনুযায়ী কাজ করবেন। অতি উৎসাহী আচরণ বা ক্ষমতার অপব্যবহার করবেন না। নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম রিটার্নিং কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি চালক হয়, নির্বাচন সুষ্ঠু ও সফল করতে হলে রিটার্নিং কর্মকর্তারা সেই গাড়ির ফুয়েল হিসেবে কাজ করে। তাই সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তারা জনগুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করবেন।

বিএনপিসহ কয়েকটি দলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল ২৩ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ৩০ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণের পুনঃতফসিল দেয় নির্বাচন কমিশন। তবে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আজ বলেছেন, একটি বড় ভোট চুরির নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে সরকারের কৌশলী নির্দেশেই ইসি ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের দিন নির্ধারণ করেছে। তিনি নির্বাচন এক মাস পেছানোর দাবি জানানোর পাশাপাশি নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় ও গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারে সব রাজনৈতিক দলকে সমান সুযোগ দিতে হবে বলে উল্লেখ করেন।

সব দলের দাবির প্রেক্ষিতে নির্বাচনের তারিখ এক সপ্তাহ পিছিয়ে ৩০ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর আর পেছানোর কোনো সুযোগ নেই।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *