বিতর্কিত, দলবাজ পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার করতে হবে : রিজভী

বিতর্কিত, দলবাজ পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার করতে হবে : রিজভী

পাথেয় রিপোর্ট : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিতর্কিত, দলবাজ পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে জনমনে শংকা-সংশয় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সুস্ঠ নির্বাচনের জন্য নিরপেক্ষ কর্মকর্তাদের দিয়ে প্রশাসন সাজানোর কথা বলেন রিজভী।

২৩ নভেম্বর শুক্রবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এসব মন্তব্য করেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের বদলি না করার বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্যে একতরফা নির্বাচনের গোপন ছক। আমরা স্পষ্ট বলতে চাই, বিতর্কিত ও দলবাজ পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার করতে হবে। তিনি বলেন, বৃস্পতিবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, কোনো কর্মকর্তাকে বদলি করা হবে না। সভায় আলোচনা সিইসির নির্দেশনাসমূহ এবং উপস্থিত কিছু পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্যে থেকে বোঝা যায়, উভয়পক্ষই সরকারের অনুকূলে একতরফা নির্বাচনের একটা গোপন ছক তৈরি করে রেখেছে।

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের এই সংবাদ সম্মেলন অন্যদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুস সালাম আজাদ, আসাদুল করীম শাহিন, তাইফুল ইসলাম টিপু, মুনির হোসেন, আশরাফউদ্দিন বকুল সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

রিজভী দাবি করেন, নির্বাচন কমিশন কেবল ক্ষমতাসীনদের জন্যই ‘লেভেল প্লেইং ফিল্ড’ তৈরি করতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের কথা উল্লেখ্য করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলেও ইসি ‘নির্বিকার ভূমিকা পালন করছে। নির্বাচন কমিশনের সমালোচনায় এই বিএনপি নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা নির্বাচনী আচরণবিধি ‘লঙ্ঘন করে‘ চললেও ইসি ‘নির্বিকার’।

এদিকে শুক্রবার রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, এবার ভোট সুষ্ঠু না হলে বাংলাদেশ আগামীতে ‘একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে’ পরিণত হবে। এবার শেষ চান্স, শেষ পরীক্ষা। দরকার হলে আপনাদেরকে লড়াই করে ভোট দিতে হবে। যারা আপনাদেরকে বাধা দেবে, তাদেরকে প্রতিহত করে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে হবে। এছাড়া অন্য কোনো বিকল্প থাকবে না।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *