জোটসঙ্গীদের ৬৫ থেকে ৭০ আসন ছাড়বে আ. লীগ

জোটসঙ্গীদের ৬৫ থেকে ৭০ আসন ছাড়বে আ. লীগ

পাথেয় রিপোর্ট : আওয়ামী লীগের জোটসঙ্গীদের জন্য ৬৫ থেকে ৭০টি আসন ছেড়ে দেওয়া হতে পারে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগের জোট ও মিত্রদের ৬৫-৭০টির বেশি আসন দেওয়া হচ্ছে না। এখন আসন ভাগভাগির বিষয়টি আলাপ আলোচনার পর্যায়ে আছে। কাল বা পরশুর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।

২৪ নভেম্বর শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১৪ দলীয় জোট ও মহাজোট নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জাতীয় পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টি, তরিকত ফেডারেশন আওয়ামী লীগের জোটসঙ্গী। এছাড়া যুক্তফ্রন্টের বিকল্প ধারা এবং কিছু ইসলামিক দল ও তাদের শরিকরাও জোটের অংশীদার। জোটগুলোর জন্য ৬৫ থেকে ৭০টি আসন ছাড় দেওয়ার কথা নেত্রী আমাকে বলতে বলেছেন। এর মধ্যে আলাপ করে যদি জোটসঙ্গীদের উইনেবল ক্যান্ডিডেট বেশি পাওয়া যায় তাহলে বেশি পাবে। আর যদি উইনেবল প্রার্থী কম থাকে তাহলে বিবেচনা করব। আমরাও আমাদের ‘ইলেকটেবল না’ এমন প্রার্থীদের বাদ দিতে দ্বিধা করব না।

জাতীয় পার্টিকে কয়টি আসন দেওয়া হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয় পার্টিকে কয়টি আসন দেওয়া হচ্ছ তা এখনও পরিষ্কার নয়। তবে শরিকদেরকে ৬৫-৭০ এর বেশি আসন দেওয়া হচ্ছে না। এর আগে সকালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জোট-মহাজোট নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

প্রথমে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বৈঠকে বসেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও সাধারণ সম্পাদক শিরীন আকতার। এরপর বৈঠকে বসেন রাশেদ খান মেননের ওয়ার্কার্স পার্টি। ওয়াকার্স পার্টির সঙ্গে বৈঠক শেষে ওবায়দুল কাদের জাতীয় পার্টির সঙ্গে বৈঠকে বসেন। বৈঠকে জাপা মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জাপা নেতা মশিউর রহমান রাঙ্গা, মুজিবুল হক চুন্নু ও কাজী ফিরোজ রশীদ।

এর আগে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদেরটা অলমোস্ট ক্লোজড। এখন অ্যালায়েন্সের সঙ্গে আমরা আলাপ আলোচনা শুরু করব। প্রথমে আমরা তাদের তালিকা নেবে। আজকালের মধ্যে আমরা সেটা পেয়ে যাব। তারপর আনুষ্ঠানিকভাবে বসতে পারি। তারপর জোটগতভাবে সমীকরণ যেটা দাড়াবে, সেটা ৪/৫ দিনের মধ্যে ঘোষণা করব। টানা দশ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, এবার তারা দলীয় মনোনয়ন ঠিক করেছেন ‘জরিপ প্রতিবেদনের’ ওপর ভিত্তি করে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *