পাথেয় রিপোর্ট : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে সুষ্ঠু, সুন্দর, অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে তরুণ ভোটাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই নিজ দলের নির্বাচনী ইশতেহারে তরুণদের আকৃষ্ট করতে কর্মসূচি রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।
২৬ নভেম্বর সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক মন্ত্রী সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এদিকে প্রতীক বরাদ্দের পর আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সভাপতি এবং ইশতেহার উপ-কমিটির আহ্বায়ক ড. আব্দুর রাজ্জাক। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ের নতুন ভবনে ইশতেহার উপ-কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।
কবে ইশতেহার প্রকাশ করা হবে জানতে চাইলে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, প্রতীক বরাদ্দের পর দিন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা জাতির সামনে ইশতেহার তুলে ধরবেন। এরপর থেকে ইশতেহার সবার জন্য উন্মুক্ত হবে। তিনি বলেন, ইশতেহারের মূল লক্ষ্য হবে উন্নয়নের মহাসড়কের গতিকে আরও বেগবান করতে চাই, ত্বরান্বিত করতে চাই। প্রবৃদ্ধিকে আরও বৃদ্ধি করতে হবে। আমরা দারিদ্র্য বিমোচন করেছি, দারিদ্র্যতাকে আরও কমাতে চাই। বিদ্যুৎ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যে আরও কৌশলী হওয়ার কথা থাকবে ইশতেহারে।
আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আগামীতে আমাদের চ্যালেঞ্জ হবে পুষ্টি সমৃদ্ধ নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা। দুর্নীতির ব্যাপারে কী কৌশল হবে? পুলিশ বাহিনী কী ধরনের আধুনিক, জনহিতৈষী, জনদরদী ও জনবান্ধব হবে সেটা আমরা বলার চেষ্টা করবো।
তিনি বলেন, আগামী দিনের তরুণ সমাজকে নিয়ে আমরা কি ভাবছি, তরুণ সমাজকে উন্নয়নের সঙ্গে, দেশ পরিচালনার সঙ্গে কীভাবে সম্পৃক্ত করা যায় সেটা তুলে ধরা হবে। সামষ্টিক অর্থনীতি, মুদ্রাস্ফীতি, ব্যাংক ব্যবস্থা, ইনস্যুরেন্স ব্যবস্থা নিয়ে কী ধরনের চিন্তাভাবনা আছে সেটাও জনগণের সামনে তুলে ধরব। কৃষি ও শিল্পায়নের উন্নয়ন কীভাবে করবো তার বিস্তারিত আমরা তুলে ধরব।
আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ‘জনগণের সামনে নির্বাচনের আগে ইশতেহার নিয়ে যাব। হক, ভাসানী, সোহরাওয়ার্দী, বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার নৌকা নিয়ে আমরা জনগণের সামনে যাব।


