পাথেয় রিপোর্ট : বিশ্বের ক্ষমতাধর ১০০ নারীর মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৬তম অবস্থানে আছেন। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ-বাণিজ্য বিষয়ক সাময়িকী ফোর্বস প্রতিবছর বিশ্বের ক্ষমতাধর নারীর তালিকা প্রকাশ করে। সেখানে প্রভাবশালী নারীর তালিকায় ধারাবাহিক উন্নতি ঘটেছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।
মঙ্গলবার ২০১৮ সালে ফোর্বস ক্ষমতাধর নারীদের যে তালিকা করেছে, তাতে শেখ হাসিনা ২৬তম স্থানে আছেন।
গত বছরে তিনি এই তালিকার ৩০তম অবস্থানে ছিলেন। এবার তার অবস্থানের চার ধাপ উন্নতি ঘটেছে। ফোর্বসের গত বছরের তালিকায় শেখ হাসিনার অবস্থান ছিল ৩০তম স্থানে। ২০১৫ সালের তালিকায় তার অবস্থান ছিল ৫৯তম। ফোর্বসের ২০১৬ সালের তালিকায় শেখ হাসিনা ৩৬ নম্বরে ছিলেন।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িকী ফরচুনের করা বিশ্বের প্রভাবশালী শীর্ষনেতাদের তালিকায় স্থান পেয়েছিলেন শেখ হাসিনা। প্রভাবশালীদের তালিকায় তাকে রেখেছিল টাইম ম্যাগাজিনও।
শেখ হাসিনাকে ফোর্বসের তালিকায় স্থান দেওয়ার ক্ষেত্রে মিয়ানমারের বাস্তচ্যুত লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। ফোর্বস সাময়িকী শেখ হাসিনার পরিচয় ও অবদান উল্লেখ করতে গিয়ে লিখেছে, ২০১৭ সালে শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও তাদের জন্য বাংলাদেশের দুই হাজার একর জমি বরাদ্দ দিয়েছেন। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে প্রাণে বাঁচতে এই রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এ ছাড়া বাংলাদেশ স্থায়ীভাবে রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনে কাজ করে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা।
দুই বছর আগে এই ফোর্বসের তালিকায় মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি ২৬তম অবস্থানে ছিলেন। গত বছর তার অবস্থান সাত ধাপ পিছিয়ে যায়। এবার শেখ হাসিনা ২৬তম স্থানে উঠে এলেও সু চির স্থান হয়নি ১০০ জনের মধ্যে।
২০১৮ সালের তালিকায় শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল। তার পরের অবস্থানে রয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে। তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন আইএমএফ ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টিন লগার্ড, চতুর্থ স্থানে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল মোটরসের চেয়ারপারসন ও সিইও মেরি বারা, পঞ্চম স্থানে রয়েছেন ফিডেলিটি ইনভেস্টমেন্টসের সিইও আবিগেইল জনসন আর মেলিন্ডা গেটস রয়েছেন ষষ্ঠ স্থানে।


