সিরিয়াল কিলার এক রুশ পুলিশ, একে একে ৫৯ জনকে খুন

সিরিয়াল কিলার এক রুশ পুলিশ, একে একে ৫৯ জনকে খুন

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : পৃথিবী কুখ্যাত সব সিরিয়াল কিলারদের নানা রকম লৌহমর্ষক ঘটনার কথা আমরা উপন্যাস বা মুভিতে জানতে পাই। দেখতে পারি। বিচিত্র সব চরিত্র তাদের। তবে এস নাটক, নভেলে বর্ণিত অনেকাংশে অবাস্তব ঘটনাও কিন্ত মাঝেমাঝে সত্য হেয় যায়। বাস্তবেও কিন্তু এমন দু’একজন খুনির কথা জানতে পারি আমরা। সংবাদের পাতা, টিভিতে খবরের মাধ্যমে তাদের ব্যাপারে জানা যায়। তবে একাই এক জীবনে ৫৯ জনকে খুন। কথাটা শুনে একটু আৎকে উঠলেন তো। উঠারাই কথা। তবুও ঘটনাটা সত্যি। রাশিয়ান এক পুলিশের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠলে সেটিকে স্বীকার ও করেছেন তিনি।

৫৯ জনকে খুনের দায় স্বীকার করেছে এক সাবেক রাশিয়ান পুলিশ। ২০১৫ সালে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ২২ নারীকে হত্যার দায়ে আটক করা হয়। সোমবার ওই ব্যক্তি আদালতে ৫৯ জনকে হত্যার স্বীকারোক্তি দিয়েছে। খবর এনডিটিভির।

অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম মিখাইল পভকভ। তিনি রাশিয়া একজন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা। ১৯৯২ থেকে ২০০৭ সালে তিনি এসব হত্যাকাণ্ড চালান বলে জানানো হয়। পুলিশ বাহিনীতে কাজ করার সময় পেভকভ বিভিন্ন নারীদের ‘লেট নাইট’ ভ্রমণের জন্য ডাকতেন। তখনই তাদের ধর্ষণ করে হত্যা করতেন।

রাশিয়ার একটি আদালত সোমবার জানায়, অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি ৫৬ জনকে খুন করেছ এমন প্রমাণ পাওয়া গেছে। যদিও অভিযুক্ত ওই ব্যক্তিকে ইতিমধ্যে ২২ জন নারীকে হত্যার দায়ে আদালত মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে।

দেশটির আদালত জানায়, পেভকভ একজন পেশাদার সিরিয়াল কিলার। মানুষ হত্যা করা তার একধরণের নেশা হয়ে দাড়িয়েছিল। হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি ১০জন নারীকে ধর্ষণও করে। বলা হচ্ছে তিনি রাশিয়ার শীর্ষ সিরিয়াল কিলার। পেভকভ ৫৯ জন কে খুনের কথা স্বীকার করেছে কিন্তু দেশটির আদালত ৫৬ জনকে খুনের প্রমাণ পায়।

মিখাইল পভকভের ধারাবাহিক খুন ঘটনার এই খবর পুরো রাশিয়াকেই স্তম্ভিত করেছে। হতবাক হয়েছে পুরো বিশ্ব। একজন, দ’জন নয়। একে একে ৫৯ জন মানুকে খুন করেছেন সাবেক এই রাশিয়ান পুলিশ। এই খবরই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে। কেউ হতবাক। কেউ বিস্মিত।

অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম মিখাইল পভকভ। তিনি রাশিয়া একজন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা। ১৯৯২ থেকে ২০০৭ সালে তিনি এসব হত্যাকাণ্ড চালান বলে জানানো হয়। পুলিশ বাহিনীতে কাজ করার সময় পেভকভ বিভিন্ন নারীদের ‘লেট নাইট’ ভ্রমণের জন্য ডাকতেন। তখনই তাদের ধর্ষণ করে হত্যা করতেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *