চাইলেই ইমরান খানের মত হওয়া সম্ভব নয় : মাশরাফি

চাইলেই ইমরান খানের মত হওয়া সম্ভব নয় : মাশরাফি

পাথেয় রিপোর্ট : বাংলাদেশের ক্রিকেটে জনপ্রিয়তার অপর নাম মাশরাফি বিন মুর্তজা। জাতীয় ওয়ানডে দলের অধিনায়ক আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজের এলাকা নড়াইল-২ আসনে নির্বাচন করবেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। ক্রিকেট মাঠে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দিয়ে বেশ সফল মাশরাফি। তার ভক্ত-শুভাকাঙ্খীরা আশায় আছেন খেলার মতো রাজনীতির মাঠেও সাফল্যের মুকুট মাথায় নেবেন নড়াইল এক্সপ্রেস মাশরাফি।

রাজনীতির মাঠে মাশরাফি নাম লেখানোর পর থেকেই সবার আগে তুলনা উঠেছে পাকিস্তানি কিংবদন্তি ক্রিকেটার ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সাথে। বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন ইমরান খান। পাকিস্তানের এই সাবেক কিংবদন্তি অধিনায়ক ক্রিকেটার হিসেবে ছিলেন ভীষণ জনপ্রিয়। ১৯৯২ সালে ক্রিকেট মাঠে পাকিস্তানের এখন পর্যন্ত সেরা সাফল্য বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন ইমরান। আর এখন রাজনীতিতে এসেও বাজিমাত করেছেন। তাকে প্রধানমন্ত্রী করেই সরকার গঠন করেছে পিটিআই।

ম্যাশের রাজনীতিতে নামা নিয়ে দেশে যখন আলোচনা-সমালোচনা চলছে, তখন বিদেশি মিডিয়ার নজরও তার দিকে। শীর্ষস্থানীয় বার্তা সংস্থা এএফপির কাছে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলেছেন মাশরাফি। পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে তুলনার প্রশ্নে তিনি বলেন, সত্যিকার অর্থে, ইমরান খান যে উচ্চতায় উঠেছেন, চাইলেই সেখানে যাওয়া যায় না। যেহেতু আমি একজন খেলোয়াড়, তাই আমার ইচ্ছা হলো ক্রীড়াঙ্গনের জন্য কিছু করা। আমার স্বপ্নটা এখানেই সীমাবদ্ধ। আমি আমার অঞ্চলের জন্য ভালো কিছু করা যায় কি না, এ জন্য কাজ করব।

অবসর নেওয়ার আগেই রাজনীতিতে নামায় ম্যাশের সমালোচনা করছেন অনেকেই। তারা ভাবছেন, এতে মাশরাফির পারফর্মেন্সে টান পড়বে। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজর বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত ওয়ানডে সিরিজে ম্যাশের পারফর্মেন্স ছিল নজরকাড়া। দলকে সিরিজও জিতিয়েছেন। সামনে বিশ্বকাপ। সেখানেও তিনিই দলকে নেতৃত্ব দেবেন। ম্যাশকে নিয়ে আরও একটি আলোচনা হলো, দেশের দুর্নীতিগ্রস্ত এবং হিংসাত্মক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তিনি কীভাবে মানুষের জন্য কাজ করবেন?

এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, আমি যা বলতে পারি তা হলো, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ কিংবা অন্য রাজনৈতিক মূল্যবোধ নিয়ে যারা চলেন, তাদের আমি অসম্মান করি না। আমি বলতে চাই, সবারই যাকে পছন্দ তাকে সমর্থন জানানোর অধিকার আছে। আমি আমার প্রতিদ্বন্দ্বীদের মন থেকেই শ্রদ্ধা করি। একজন নেতার যোগ্য হওয়া উচিত, ভালো মানুষ হওয়া উচিত। আমাদের তরুণেরা সামাজিক অবক্ষয় সামনে থেকেই দেখতে পাচ্ছে। আমার ধারণা, তাদেরও উচিত রাজনীতিতে আসা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *