পাথেয় রিপোর্ট : সারাদেশে একযোগে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয় সকাল ৮টায়, বিকাল ৪টায় ভোট গ্রহন শেষ হয়েছে। ভোট গ্রহণ শেষে এখন চলছে গণনা। বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ভোট বর্জনসহ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে।
আজ রবিবার (৩০ ডিসেম্বর) একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে, বিভিন্ন জেলায় ভোট গ্রহণের আগের রাত থেকে ভোট চলাকালে নির্বাচনী সহিংসতায় এখনো পর্যন্ত ১৭ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এরমধ্যে নোয়াখালীতে একজন আনসার সদস্য প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। প্রায় ৬০ জনের অধিক প্রার্থীর ভোট বর্জনের মধ্যে দিয়ে ভোট গ্রহন শেষ হয়েছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, ‘এখন পর্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার কথা আমিও শুনেছি। তবে নির্বাচন শেষ হলে বলা যাবে অংশগ্রহণমূলক হয়েছে কিনা।’
ফলাফল ঘোষণার প্রক্রিয়ার বিষয়ে ইসির অতিরিক্ত সচিব মোখলেসুর রহমান বলেন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রেই ফলাফল ঘোষণা হবে। প্রিজাইডিং অফিসার ভোটগ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে কেন্দ্রেই ভোট গণনা করবেন। এ সময় সহকারী রিটার্নিং, প্রার্থীর এজেন্টেরা উপস্থিত থাকতে পারবেন। ভোট গ্রণনা শেষে প্রিজাইডিং অফিসার লিখিত ফলাফল সংশ্লিষ্টদের সরবাহর করবেন। পরে এ ফলাফল রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠাবেন। রিটার্নিং অফিসাররা তা ইসিতে পাঠাবেন। ইসির ফোয়ারা প্রাঙ্গণে স্থাপিত মঞ্চ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করা হবে। এ চত্ত্বরে ইসি শটি মনিটরের মাধ্যমে ফলাফল প্রর্শন করবে।
এছাড়া সরকারি দল নির্বচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে দাবি করলেও বিরোধী দলের দাবি নির্বচন সুষ্ঠু হয়নি। বিরোধী জোট অভিযোগ করেন, সারাদেশে বিএনপি ও তার জোটের প্রার্থীদের এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের দাবি, সারাদেশে খুব সুষ্ঠুভাবে নির্বচন হয়েছে। ৪৭ বছরের মধ্যে এবার সবচেয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে।
জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আই অ্যাম অলওয়েজ কনফিডেন্ট। আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। আমার বিশ্বাস, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের শক্তির জয় হবে। স্বাধীনতার পক্ষের জয় হবে। উন্নয়ন অগ্রগতি অব্যাহত রাখার জন্য নৌকা মার্কার ভোট দেবে। আমি জানি বাংলার জনগণ আমাদের বেছে নেবে। নৌকার জয় হবেই হবে।’


