এবার যে নির্বাচন হয়েছে অতীতে কোনো সময়ই তা হয়নি : তথ্যমন্ত্রী

এবার যে নির্বাচন হয়েছে অতীতে কোনো সময়ই তা হয়নি : তথ্যমন্ত্রী

পাথেয় রিপোর্ট : তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, এবার যে নির্বাচন হয়েছে অতীতে কোনো সময়ই তা হয়নি। এবারের নির্বাচনের পরিবেশ ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। মানুষ শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গেই ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়েছে।

আজ সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সমসাময়িক বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী। গতকাল রোববার বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর দেওয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতেই এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হারার পর বিএনপি নেতারা কাণ্ডজ্ঞান হারিয়ে ফেলেছেন বলে দাবি করে তিনি বলেন, দলটির নেতারা এখন অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছেন। বিএনপি নির্বাচনী প্রচারে একেবারেই পিছিয়ে ছিল। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতেই তারা এখন উল্টাপাল্টা কথাবার্তা বলছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিজয়ী হওয়ার জন্য বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয়নি। তারা মূলত নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই অংশ নিয়েছে। আগে থেকেই তারা বুঝতে পেরেছে নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। এ কারণেই তারা ৩০০ আসনের নির্বাচনে ৮০০ জনকে মনোনয়নপত্র দিয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, পুলিশের হিসাবমতে প্রতি নির্বাচনে পুলিশের ওপর হামলা হয়, অনেক পুলিশ আহত হয়, এমনকি নিহতও হয়। কিন্তু এই নির্বাচনে কোনো পুলিশ আহত হয়নি, এই নির্বাচন প্রচণ্ড উৎসবমুখর ছিল।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, রুহুল কবির রিজভী প্রেস কনফারেন্স করে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ইঙ্গিত করে সরাসরি অনেক বিষোদগার করেছেন। বিএনপি গত নির্বাচনে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হওয়ার পর তারা হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে। তিনি বলেন, প্রকৃতপক্ষে বিএনপি জানত, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে তাদের ভরাডুবি হবে, সে জন্য নির্বাচনী প্রচারণাও ঠিকমতো করেনি।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘রিজভী আহমেদকে বলব, প্রতিদিন সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বকে আরও তুলে ধরার চেয়ে তাঁদের উচিত হবে নির্বাচনে কেন এভাবে শোচনীয় পরাজয় হলো, তা বিশ্লেষণ করা।’ তিনি বলেন ‘বিএনপির এমন ধস নামানো পরাজয় আমরাও আশা করি না। আমরাও চাই শক্তিশালী বিরোধী দল থাক।’

এ সময় সাংবাদিকদের জন্য নবম ওয়েজ বোর্ড প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আজকের মন্ত্রিসভায় এ জন্য একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। এ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী দ্রুতই তা বাস্তবায়ন করা হবে।

এবারের নির্বাচনের পরিবেশ ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। মানুষ শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গেই ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *