পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : পাকিস্তানের ইসলামপন্থী দলগুলোর জোট মজলিসে মুত্তাহিদা আমলের প্রধান ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের চেয়ারম্যান মাওলানা ফজলুর রহমান বলেছেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ভুয়া, নকল ও পুতুল প্রধানমন্ত্রী।
রোববার (২৮ এপ্রিল) সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রনীতি ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। এখন যারা পাকিস্তান পরিচালনা করছেন, তারা ইসলামের শিক্ষা সম্পর্কে একবারে অজ্ঞ। এ শাসকরা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যও জানেন না।
ইরান সফরে দেয়া ইমরান খানের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে দেশটির প্রভাবশালী এ রাজনীতিবিদ বলেন, তিনি নাকি মুখ ফসকে ভুল কথা বলেছেন। তিনি দেখাতে চান যে তার কথায় অনেক জাদু আছে।
‘আসলে তিনি তো কথাই বলতে জানেন না। এ সত্য স্বীকার করে নিলেই তো হয় যে, রাষ্ট্রীয় বিষয়ে তার ন্যূনতম জ্ঞান নেই,’ বললেন এ রাজনীতিবিদ।
উল্লেখ, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের (জেইউআই-এফ) এর প্রধান মাওলানা ফজলুর রহমান। কিন্তু নির্বাচনে তিনি জয়লাভ করেননি। পরবর্তীতে জাতীয় নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে সর্বদলীয় সম্মেলন ডাকার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে ছিলেন তিনি।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, কারচুপির এই নির্বাচন সব দলের কাছেই অগ্রহণযোগ্য। তাই দ্রুতই একটি সম্মেলন ডাকা হবে। এ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পদ্ধতি নিয়ে পাকিস্তানের সব রাজনৈতিক দলই আপত্তি উত্থাপন করেছিল।
প্রথম আপত্তি তোলেছিলেন পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ। দলটির নেতা ও সাবেক কেন্দ্রীয় তথ্যমন্ত্রী মারিয়াম আওরঙ্গজেব দাবি করেন, বেশ কিছু ভোটকেন্দ্রে তাদের এজেন্টদের ঢুকতে দেয়া হয়নি।
পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ, পাকিস্তান পিপলস পার্টি, মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট-পাকিস্তান এবং আওয়ামী ন্যাশনাল পার্টি অভিযোগ করেছে- ভোট গণনা ও ফল ঘোষণায় নির্বাচন কর্মকর্তারা পরিকল্পিত কারচুপি করেছেন।
জামায়াত উলামা-ই-ইসলাম-ফজলসহ মুত্তাহিদা মজলিস-ই-আমল(এমএমএ) নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করেছেিলন। রুদ্ধ কক্ষে বসে নির্বাচনের ফল কারচুপির অভিযোগ করেছিলেন তারা।


